নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ডুবে নিখোঁজ হওয়া শিশু তামিমের (৬) লাশ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
বুধবার (১০ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার চর আতাউর এলাকার নিকটবর্তী মেঘনা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞাপন
নিহত তামিম উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরচেঙ্গা গ্রামের জেলে শাহাদাত হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য দিনের মতো মঙ্গলবার মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান শাহাদাত হোসেন। দুপুরের দিকে বাবার জন্য খাবার নিয়ে নদীর তীরে যায় ছোট্ট তামিম। বাবাকে খাবার দেওয়ার পর সে তার সমবয়সী এক চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে নদীর পাড়ে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত নদীতে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয় সে।
সঙ্গে থাকা চাচাতো ভাই বিষয়টি দেখে দ্রুত পরিবারের সদস্যদের জানালে স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু কোথাও তামিমের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। তবে হাতিয়ায় ডুবুরি দল না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পানির নিচে অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি।
বিজ্ঞাপন
পরে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে কোস্টগার্ড হাতিয়া স্টেশন পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চর আতাউর এলাকার কাছে মেঘনা নদী থেকে তামিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা রায়হান জানান, সকাল থেকে টানা উদ্ধার অভিযান পরিচালনার পর বিকেলে নিখোঁজ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন তারা।
শিশু তামিমের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের মাতম বিরাজ করছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
প্রতিনিধি/এসএস




