জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, ইসলামের দাওয়াত সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে হবে। দেশের এমন কোনো ঘর যেন না থাকে, যেখানে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছায় না। দাওয়াতি কার্যক্রম, নামাজ ও দ্বীনের জন্য নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে।
শনিবার (৬ জুন) শরীয়তপুর পৌর অডিটোরিয়ামে জামায়াতে ইসলামী শরীয়তপুর জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী জেলা রুকন শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত নেতা এসব বলেন।
বিজ্ঞাপন
ড. আযাদ বলেন, আল্লাহ তাআলা মানুষকে একটি মহান দায়িত্ব দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। সেই দায়িত্ব হলো মানুষের কাছে সত্য ও ন্যায়ের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। একজন মুসলমান হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার পাশাপাশি সমাজকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করাও প্রত্যেকের দায়িত্ব। তিনি বলেন, শুধুমাত্র সাংগঠনিক কার্যক্রম নয়, সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে সেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে হবে। ইসলামের সৌন্দর্য ও মানবিক মূল্যবোধ বাস্তব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুর রব হাশেমী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল মান্নান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর জেলা আমির মাওলানা মুহাম্মদ বদরুদ্দিন, ফরিদপুর অঞ্চল টিম সদস্য আজমল হোসেন এবং মাওলানা আব্দুস সুবহান খান।
এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সাবেক ছাত্রনেতা ও শিক্ষাবিদ ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদ এবং জেলা নায়েবে আমির কেএম মকবুল হোসাইন।
জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত শিক্ষাশিবিরে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত সংগঠনের রুকনরা অংশ নেন।
বিজ্ঞাপন
দিনব্যাপী কর্মসূচিতে সংগঠনের আদর্শিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম, নৈতিকতা, নেতৃত্ব বিকাশ, দাওয়াতি কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা আত্মশুদ্ধি, সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
শিক্ষাশিবির শেষে ইসলামী আন্দোলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় এবং আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে করণীয় তুলে ধরা হয়।
প্রতিনিধি/ক.ম/




