চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আহসানুল মাহমুদ রনিকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
বিজ্ঞাপন
আহসানুল মাহমুদ রনি ইব্রাহিমপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ইমরান মাহমুদের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে দামুড়হুদা থানার একটি দল উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানকালে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আহসানুল মাহমুদ রনিকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত শুক্রবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মশাল মিছিলের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে উপজেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ব্যানারে একদল নেতাকর্মীকে মশাল হাতে মিছিল করতে দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, মিছিলটি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজু আহমেদ রিংকুর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মিছিলে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয় বলে ভিডিওতে দেখা যায়।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় জনমনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এমন কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
বিজ্ঞাপন
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ভাইরাল ভিডিওটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আহসানুল মাহমুদ রনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রতিনিধি/টিবি




