শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ঢাকা

জয়পুরহাটে সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, টহল জোরদার

জেলা প্রতিনিধি, জয়পুরহাট
প্রকাশিত: ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম

শেয়ার করুন:

জয়পুরহাটে সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, টহল জোরদার

জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সহায়তায় পুশইনের দুটি পৃথক চেষ্টা সফলভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতাবস্থা জারির পাশাপাশি অতিরিক্ত জনবল ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী।


বিজ্ঞাপন


ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক জানান, গত পরশু দিন রাতে বিএসএফের পক্ষ থেকে পুশইনের একটি অনানুষ্ঠানিক প্রস্তাবনা দেওয়া হলে বিজিবি তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে। এরপরের রাতেই সীমান্তে পুশইনের একটি প্রত্যক্ষ চেষ্টা চালানো হয়, যা বিজিবির সুদৃঢ় অবস্থানের কারণে ব্যর্থ হয়।

সর্বশেষ গতকাল রাতেও সীমান্তের জিরো লাইন (Zero Line) বরাবর কিছু সন্দেহভাজন মুভমেন্ট বা চলাচল লক্ষ্য করে বিজিবি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবির টহল দল স্থানীয় গ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে সারারাত সীমান্তে সজাগ ডিউটি পালন করে। ফলে অনুপ্রবেশের সব ধরনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

708ddd26-9466-4fd3-b5c8-7de8632cc840

সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি ও বিএসএফের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী বলেন, সাধারণত বিএসএফ প্রথমে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার রুটিন কার্যক্রম শুরু করে এবং তা সফল হলে পরবর্তীতে পুশ-ইনের চেষ্টা চালায়। তবে আমরা কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং পুশইন কোনোটিই মেনে নিইনি।


বিজ্ঞাপন


তিনি আরও জানান, জয়পুরহাট সীমান্তের হিলি ও কয়া সংলগ্ন কাঁটাতারবিহীন স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বিজিবির সর্বাধিক সংখ্যক জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানে টহল ব্যবস্থা জোরদার রয়েছে।

d7096dab-f011-41f1-ab4f-978c09729217

সীমান্ত সুরক্ষায় স্থানীয়দের ভূমিকার প্রশংসা করে ২০ বিজিবি অধিনায়ক বলেন, দেশের মানুষ ও সীমান্ত সুরক্ষায় আমরা নিয়োজিত আছি। আমাদের টহল দলের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণ ও গ্রামবাসী পুরো বিষয়টিতে অত্যন্ত সজাগ আছেন এবং আমাদের তথ্য দিয়ে ও নানাভাবে সহযোগিতা করছেন।

অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি এককভাবে নয়, বরং আনসার, ভিডিপি ও গ্রাম রক্ষা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে যৌথ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সীমান্তে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানোর সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি গণমাধ্যম ও স্থানীয় প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর