শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ঢাকা

বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর
প্রকাশিত: ০৫ জুন ২০২৬, ০১:২৪ এএম

শেয়ার করুন:

বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরে বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে ইতালি প্রবাসী এক পরিবারের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দাবি করা ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ার অভিযোগে এই হামলা হয়েছে। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) জেলা শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তুলে ধরেন ইতালি প্রবাসী জসিম উদ্দিনের বড় মেয়ে জুবাইদা গুলশান আরা মিলি।


বিজ্ঞাপন


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাড়ি নির্মাণ কাজে বাধা দিয়ে কয়েক দফায় তাদের ওপর হামলা চালায় মাদরাসা শিক্ষক জহির উদ্দিন মাহমুদ ও তার আত্মীয়রা। এ সময় ঘরে থাকা প্রায় ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। হামলার ভয়ে বর্তমানে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ বেগম ও তার চার মেয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

এর আগে গত বুধবার (৩ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কয়েক দফায় তাদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ করা হয়। এতে প্রবাসী পরিবারের ১৩ জন আহত হন। তারা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ভুক্তভোগী শাহনাজ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর এলাকার ইতালি প্রবাসী জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। অভিযুক্ত জহির তাদের প্রতিবেশী ও জকসিন মহিলা মাদরাসার শিক্ষক। উভয়ের মধ্য জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে শাহনাজ, তার মেয়ে কলেজছাত্রী মিলি, সুমাইয়া আক্তার, স্কুলছাত্রী ইশরাত জাহান ইকরা মোল্লা, শিশু শ্রেণির ছাত্রী রাবেয়া মিথি, বোন আকলিমা বেগম, ভাগনি জান্নাতুল ফেরদাউস ও বোনজামাই কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।


বিজ্ঞাপন


জুবাইদা গুলশান আরা মিলি বলেন, জহির আমাদের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তা না দেওয়ায় ভবন নির্মাণ করতে গেলে জহির ও তার ভাগ্নে জোনায়েদ বাধা দেয়। এতে প্রতিবাদ করায় জহিরসহ তার লোকজন আমাদের ওপর কয়েক দফায় হামলা করে। আমাদের ঘরে মেহমান ছিলো তাদেরকেও মারধর করেছে। তারা আমাদের ঘর থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগম বলেন, কয়েক দফায় আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। ৪ মেয়ে নিয়ে আমি আতঙ্কে রয়েছি।

এ ব্যাপারে জহির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। চাঁদা দাবির অভিযোগ মিথ্যা। সীমানা অতিক্রম করে ভবন নির্মাণ করলে আমার ভাগ্নি বাধা দেয়। এতে উভয়পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। আমাদের একজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মোরশেদ আলম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর