গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির চত্বরে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক, মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফজলুল হক সরকার, সিনিয়র স্টাফ নার্স রেবা রাণী বসুনীয়া প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ঈদুল আজহার পরদিন গত ২৯ মে বিকেলে জরুরি বিভাগে এক শিশুর চিকিৎসা চলাকালে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে আরও লোকজন ডেকে এনে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটানো হয়। এতে হাসপাতালের চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভাঙচুর করা হয় এবং দুইজন কর্মচারী আহত হন।
তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেসব আসামির নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা না হলে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হবে না।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস




