সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ঢাকা

নেত্রকোনায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও দুই মেয়ের পর চলে গেলেন অটোরিকশাচালক 

জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
প্রকাশিত: ০১ জুন ২০২৬, ১১:৩৫ এএম

শেয়ার করুন:

নেত্রকোনায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও দুই মেয়ের পর চলে গেলেন অটোরিকশাচালক 
নেত্রকোনায় বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষ

নেত্রকোনায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও দুই মেয়ের পর চলে গেলেন অটোরিকশাচালক রেহান মিয়াও। এ নিয়ে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। গুরুতর আহত আরও দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চল্লিশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায়য় চালকসহ অটোরিকশার সাত যাত্রীকে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নেত্রকোনার সদর উপজেলার আমলী কেশবপুর গ্রামের আয়নুল হকের স্ত্রী  নূর জাহান (৪৫), তার মেয়ে স্মৃতি আক্তার (১৫) ও সুমাইয়া আক্তার ইতিকে (৮) মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। 


বিজ্ঞাপন


আর আশংকাজনক হওয়ায় আয়নুল হক (৬০) ও অটোরিকশা চালক রেহান মিয়াকে (৪০) মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়। আর অপর যাত্রী সদরে রাইতুল জাংশি গ্রামের মোস্তাফিজ (২৫) জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরে বিকাল চারটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোরিকশা চালক রেহান মিয়া  মারা যান।

তিনি সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত আমিরুজ্জামানের ছেলে। জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) হাফিজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন আয়নুল হক। পরিবার নিয়ে সেখানেই বসবাস করেন। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। ঈদ শেষে আজ রোববার গাজীপুরের বাস ধরতে বাড়ি থেকে অটোরিকশা করে স্ত্রী সম্তানসহ জেলার হিরনপুর এলাকায় যাচ্ছিলেন। 

পথে চল্লিশা বাসপাই মোড়ে পৌঁছালে ময়মনসিংহ থেকে আসা বিপরীতমুখী একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে তাদের অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা মা ও দুই মেয়ে নিহত হয়। এতে আয়নুল হক গুরুতর আহত হন। 

এছাড়া অটোরিকশা চালক ও অপর যাত্রীও গুরুতর আহত হন।  আহতদের প্রথমে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে বিকাল চারটার দিকে অটোরিকশা চালক রেহান মিয়াও মারা যান।

এদিকে ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। খবর পেয়ে  সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্পিডব্রেকারসহ গোল চত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে স্থানীয়রা অবরোধ তুলে নেয়। 

এআরএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর