কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ছাইরাখালী এলাকায় এক তরুণীকে উদ্ধারে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে আহত হন তরুণীর প্রেমিক নুরুল আমিন (২৪)। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শনিবার (৩০ মে) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদগাঁও উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে ফাঁসিয়াখালীর বাসিন্দা নুরুল আমিনের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি ওই তরুণী নিজ বাড়ি ছেড়ে নুরুল আমিনের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
তবে মেয়ের পরিবারের কয়েকজন সদস্য বিয়েতে আপত্তি জানিয়ে চকরিয়া থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেলে তরুণীকে উদ্ধারে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।
আরও পড়ুন: আত্মরক্ষার্থে ব্লেড দিয়ে যুবকের লিঙ্গ কাটলেন গৃহবধূ
স্থানীয়দের দাবি, তরুণী পুলিশের সঙ্গে যেতে অস্বীকৃতি জানান। পরে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরকানুল ইসলামের নেতৃত্বে আরও একটি পুলিশ দল সেখানে পৌঁছালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
বিজ্ঞাপন
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে নুরুল আমিন অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওসি মনির হোসেন বলেন, ‘তরুণীকে উদ্ধারে গেলে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




