পবিত্র ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে বিনোদনকেন্দ্রে ঘুরতে বের হন হাজারো দর্শনার্থীরা।
শনিবার (৩০ মে) সকালে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র ও রিসাং (তেরাং তৈকালাই) ঝরনায় গিয়ে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কিছু সংখ্যক পর্যটক ও স্থানীয় দর্শনার্থীরা সকাল থেকেই দলবেঁধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
বিজ্ঞাপন

জেলার প্রধান পর্যটন কেন্দ্র আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের প্রধান আকর্ষণ রহস্যময় গুহা, ঝুলন্ত সেতু, নন্দনকানন উপভোগ করছেন পর্যটকরা। মোবাইলে ছবি তুলে ছুটির দিনটি স্মরণীয় করে রাখছেন অনেকে। প্রকৃতির এমন রূপে মুগ্ধ পর্যটকরা। সকাল থেকে বিকেল ভ্রমণপিয়াসুদের আনাগোনায় এক মিলনমেলার রূপান্তর হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের তৃতীয় দিন থেকে পর্যটক সংখ্যা বাড়ছে। আরো দুই এক দিন গেলে খাগড়াছড়িতে বিপুল পর্যটক আসতে শুরু হবে।

বিজ্ঞাপন
রিসাং ঝরনায় বেড়াতে আসা মো. সোহেল, মো. কবির জানান, ঈদের পরদিন বন্ধুরা মিলে ঝরনায় ঘুরতে এসেছেন। দীর্ঘদিন পর সবাই একসঙ্গে সময় কাটাতে পেরে ভালো লাগছে।
আলুটিলায় বেড়াতে আসা কলেজছাত্রী সাফিয়া ও জিহাদ আলম বলেন, ঈদের ছুটি উপভোগ করতেই এখানে এসেছি। ঝরনা, আলুটিলা বেড়িয়ে জেলা পরিষদ পার্কে যাব। আজ অনেক মানুষের ভিড়। আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছি, আনন্দ করেছি।

আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের টিকিট ম্যানেজার কোকনাথ ত্রিপুরা জানান, ঈদের প্রথম দিন আটশ, দ্বিতীয় দিনে এক হাজার ও তৃতীয় দিনে আরো বেশি ভ্রমণ পিয়াসু আসতে পারে।
খাগড়াছড়ি সাজেক কাউন্টারের লাইনম্যান মো. আরিফ জানান, গতকাল দুইশ পিকআপ, জিপ খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটনস্পটসহ সাজেক গেছে।

জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্কের উপ-সহকারী কর্মকর্তা কান্তি বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, ঈদের দ্বিতীয় দিন স্থানীয়দের পদচারণায় মুখর ছিল। পর্যটকদের সংখ্যা কম উপস্থিতি হলেও শনিবারের পর থেকে সারাদেশ থেকে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়বে আশা করি।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় প্রশাসন কাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস




