শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ঢাকা

ঈদে সাতক্ষীরায় ভ্রমণ: পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথায় ঘুরবেন

গাজী ফারহাদ, সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২৬, ০১:০৯ পিএম

শেয়ার করুন:

ঈদে সাতক্ষীরায় ভ্রমণ: পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথায় ঘুরবেন

ঈদের ছুটিতে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে অনেকেরই প্রথম পছন্দ এখন সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পার্ক, রিসোর্ট ও সুন্দরবনের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে ঈদে ঘুরতে আসা মানুষের ভিড় বাড়ছে জেলার বিভিন্ন স্পটে।

f540248b-6400-4608-aa90-50a0610b6db1


বিজ্ঞাপন


শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক: সাতক্ষীরা শহরে ঘুরতে চাইলে দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে সাতক্ষীরা শহরের কোলাহল আর ব্যস্ততার মাঝে বুক ভরে নিশ্বাস নেওয়ার এক টুকরো সবুজ চত্বর ‘‘শহীদ আব্দুররাজ্জাক পার্ক’’। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক পার্কটি কেবল একটি বিনোদন কেন্দ্রই নয়, এটি সাতক্ষীরার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নীরব সাক্ষী। প্রতিদিনই শহরের হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই পার্ক প্রাঙ্গণ। বিশেষ করে সকাল এবং বিকেলে সব বয়সি মানুষের জন্য এটি এক অন্যতম মিলনমেলায় পরিণত হয়। নাগরিক জীবনের ফুসফুস, যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে ক্লান্তি দূর করতে এই পার্কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এক বড় আশ্রয়স্থল।

6c81cf55-82a3-4386-973a-5b6f79e3a54d

মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট: শহরের পাশেই বেসরকারি ভাবে গড়ে ওঠা মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট বা সাতক্ষীরায় মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ি নামে বহুল পরিচিত। সাতক্ষীরা জেলায় ১২০ বিঘা জায়গা জুড়ে ১৯৮৯ সালে জনাব কে, এম, খায়রুল মোজাফফর (মন্টু) এই মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট স্থাপন করেন। সবুজে পরিপূর্ণ এবং খোলামেলা প্রাকৃতিক পরিবেশ সহজেই এখানে আগত অতিথিদের নজর কাড়ে। মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্টে থাকার জন্য ৪টি ভবনে মোট ৩০টি কক্ষ রয়েছে। কারুকাজপূর্ণ এসব কক্ষগুলোতে রয়েছে আধুনিক জীবন যাপনের সমস্ত নাগরিক সুবিধা।

3efbf4d9-c6f8-45c5-95ac-8ee92ce7f7a2


বিজ্ঞাপন


লেক ভিউ রিসোর্ট: সাতক্ষীরার পরিচিত বিনোদন ও আবাসনের জায়গাগুলোর মধ্যে একটি হলো লেক ভিউ রিসোর্ট। এটি মূলত রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট ও কনভেনশন সুবিধা মিলিয়ে একটি পারিবারিক ঘোরার স্থান হিসেবে পরিচিত। সাতক্ষীরা জেলা সদর থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে সাতক্ষীরা বাইপাস রোড়ের কালামনগর অবস্থিত সাতক্ষীরা লেক ভিউক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট। বর্তমানে সাতক্ষীরা শহরে যতগুলো রেস্টুরেন্ট আছেতার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেক ভিউ। বিশেষ করে এখানকার কেকসাতক্ষীরা জেলার বিখ্যাত। লেক ভিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মেইল গেইটদিয়ে একটু সামনে এগিয়ে দেখতে পাবেন লেকের মধ্যে একটি দৃষ্টিনন্দন বিল্ডিং। বিল্ডিং এ যাওয়ার জন্য একটু সেতু রয়েছে। সেতুটি দেখলে আপনার মনে হবে ঢাকার হাতিরঝিল।

3b8ef5e4-91b0-4a0a-b959-5c2b83e0b3af

তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ: সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা সদর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে তেঁতুলিয়া গ্রামে ১৮শ শতকের মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ অবস্থিত। মসজিদটি স্থানীয়ভাবে মিয়ারমসজিদ কিংবা তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ নামে পরিচিত হলেও মসজিদের মূলনাম তেঁতুলিয়া খান বাহাদুর কাজী সালামতউল্লাহ জামে মসজিদ। মসজিদের গায়ে প্রাপ্ত শিলালিপি হতে জানা যায়, ১২৭০ বঙ্গাব্দে জমিদার সালামতুল্লাহ খান কলকাতার ‘সিন্দুরে পট্টি’ মসজিদের নকশার অনুকরণেএই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদে প্রবেশের জন্য আছে ৯ ফুট উঁচু এবং৪ ফুট প্রস্থের ৭টি দরজা। ১২টি পিলারের উপর চুন সুরকি ও চিটাগুড়েরগাথুনিতে নির্মিত মসজিদের ছাদে ৬টি গম্বুজ এবং ২০টি সুউচ্চ মিনাররয়েছে। তেঁতুলিয়া জামে মসজিদের ভেতর ও বাইরে মিলিয়ে পাঁচ শতাধিক মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারেন। প্রায় দেড়শত বছরের পুরাতন ঐতিহাসিক তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ হতে মাত্র ১০০ গজ দূরত্বে রয়েছে তেঁতুলিয়া শাহী মসজিদ নামক আরো একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। ১৯৮৭সাল থেকে বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতর তেঁতুলিয়া জামে মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণ করে চলেছে।

f87de3f4-f2a4-4d5f-9091-eac7143a7293

রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র: যা 'মিনি সুন্দরবন' নামেও পরিচিত। সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শিবনগর গ্রামে ইছামতি নদীর তীরে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ঘেঁষাএই কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ বনটি নদীভাঙন রোধ ও চিত্তবিনোদনের উদ্দেশে গড়েতোলা হয়েছে। শ্বাসমূলসহ কেওড়া, বাইন, গরান ইত্যাদি সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা। নদীর পাড় ঘেঁষে হাঁটার রাস্তা (ওয়াকওয়ে) এবং বসার জায়গা। নদী পারেই ভারতের ভূখণ্ড ও জেলেদের নৌকার মনোরম দৃশ্য। নদীর পাড়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে যেতে পারেন এইএলাকায়। সূর্যাস্তের সময় সেখানে প্রকৃতিপ্রেমীদের ভিড় চোখে পড়ে।

7d42cc7e-9805-4e7a-8d38-c1899817265a

বনবিবির বটতলা: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলা সদরে অবস্থিতপ্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক ও রহস্যঘেরা বৃক্ষহলো বনবিবির বটগাছ। প্রায় ১.২ থেকে ৮ বিঘা (৩.৫ একর) জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই গাছটির শাখা-প্রশাখা থেকে অসংখ্য শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশকরে একটি বিশাল বনভূমির মতো রূপ নিয়েছে। মূল গাছটির সঠিক গোড়ার সন্ধান পাওয়া যায় না। ডালপালা থেকে তৈরি হওয়া নতুন গাছগুলোই এখন মূল বৃক্ষ হিসেবে টিকে আছে। বহু আগে থেকেই হিন্দু সাধুও ঋষিরা এখানে ধ্যান করতেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। সুন্দরবনের বনদেবীর নামানুসারে স্থানীয়রা এই স্থানটিকে "বনবিবির বটতলা" বলে থাকেন। জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে দেবহাটা উপজেলা সদরে এই গাছটির অবস্থান। দেবহাটা উপজেলা পরিষদ থেকে খুব অল্প দূরত্বেই প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এই মনোরম ও ছায়াঘেরা স্থানটি দর্শনার্থীদের জন্য বেশ আকর্ষণীয়।

cc7f7b53-de2b-4366-b665-27d027bf612f

জমিদার বাড়ি: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা ও শ্যামনগর উপজেলায় কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। এর মধ্যে দেবহাটার টাউন শ্রীপুর জমিদার বাড়ি এবং শ্যামনগরের নকিপুরজমিদার বাড়ি অন্যতম। নকিপুর জমিদার বাড়ি। শ্যামনগর উপজেলারনকিপুর গ্রামে অবস্থিত এই বাড়িটি 'জমিদার হরিচরণ রায়ের বাড়ি' বা 'রায়চৌধুরীর বাড়ি' নামেও পরিচিত। ১৮৬০ থেকে ১৮৬৫ সালের দিকে এটিপ্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতল ভবন, জোড়া শিব মন্দির, নহবতখানা, পূজামণ্ডপএবং বড় একটি দিঘি রয়েছে এই বাড়িটিতে। তৎকালীন সময়ে এই জমিদারের প্রতাপ এতটাই ছিল যে, প্রজারা জমিদার বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় সম্মান প্রদর্শনের জন্য জুতা খুলে হাতে নিয়ে পার হতেন। টাউন শ্রীপুর জমিদার বাড়ি: উপজেলায় অবস্থিত শতবর্ষী এই জমিদারবাড়িটি প্রাচীন স্থাপত্য শৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। ইট ও সুরকি দিয়ে তৈরি ভবনটিতে তৎকালীন নির্মাণশৈলীর চমৎকার ছাপ রয়েছে। এটি দেবহাটার টাউন শ্রীপুর এলাকায় অবস্থিত, যা দর্শনার্থীদের জন্য বেশ আকর্ষণীয়।

b8b4534d-1e7e-4bfe-b27f-510b4af53296

কালিগঞ্জ নলতা শরীফ: সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামে অবস্থিত। নলতা গ্রামে ১৮৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে জন্মগ্রহণ করেনপ্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, শিক্ষা সংস্কারক ও সমাজ হিতৈষী খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য এছাড়াও আউলিয়া হিসাবে তিনি ছিলে সমাদৃত। ১৯৬৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি খান বাহাদুর আহসানউল্লাহর মৃত্যুর পর তাকে নলতায় সমাহিত করা হয়। পরবর্তীকালে তার সমাধিস্থলকে কেন্দ্র করে বর্তমানে খানবাহাদুর আহসানউল্লাহ সমাধি কমপ্লেক্স বা নলতা শরীফ গড়ে উঠেছে। নলতা শরীফের প্রায় ৪০ বিঘা জমির ওপর মসজিদ, মাজার, লাইব্রেরি, অফিস, অতিথিশালা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পুকুর এবং ফুলের বাগানে একটি দৃষ্টিনন্দন সমাধি সৌধ রয়েছে। সমাধি সৌধের তিন দিকে ৩ টি সিঁড়িপথতৈরি করা হয়েছে। প্রধান সিঁড়িপথ তুলনামূলক প্রশস্ত এবং আকর্ষণীয়। সমাধি সৌধে রয়েছে একটি কেন্দ্রীয় গম্বুজসহ মোট ৯টি দর্শনীয় গম্বুজ। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসের ৮, ৯ এবং ১০ তারিখ খান বাহাদুর আহসানউল্লাহর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নলতা শরিফে বার্ষিক ওরসমাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওরস উপলক্ষ্যে নলতায় মেলার আয়জন করা হয়। এসময় মেলা দেখতে এবং ওরসে যোগ দিতে সারাদেশ থেকে হাজার হাজারভক্ত-অনুরাগী নলতা শরীফ ছুটে আসেন। এছাড়া নলতা শরিফে ১৯৫০সাল থেকে প্রতি রমজানে বিশ্বের ২য় বৃহত্তম ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হচ্ছে।

086d91c6-ce10-4e92-a19b-3efe47d18277

প্রবাজপুর জামে মসজিদ: প্রবাজপুর শাহী জামে মসজিদ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ- পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার একটি প্রাচীন মসজিদ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা, যা ১৬৯৩ সালে নির্মিত হয়। এটি একটি সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। মসজিদ ১১০৪ হিজরি ১৯ রমজান ২ মে ১৬৯৩ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত। সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময় তার ফৌজদার নবাব নুরুল্লাহ খাঁ এ মসজিদের নামে লাখেরাজ ৫০বিঘা জমি দান করেন। প্রবাজপুর শাহী মসজিদটি একটি মুসলিম কীর্তি অতীত ঐতিহ্য এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন। এই মসজিদ সম্পর্কে একটি প্রচলিত কিংবদন্তি হচ্ছে জিনেরা জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করে রাতারাতি নাকি মসজিদ তৈরি করেছিল। আরো জনশ্রুতি আছে যে, এই মসজিদে এসে কেউ কোন মানত করলে তা নাকি বিফলে যায় না। প্রত্নতত্ত্ব বিশারদদের মতে, ১১০৪ হিজরিতে ২৪ মে ১৬৯৩ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব এই এলাকায়তার রক্ষিত মুসলমান সৈন্যদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য সুবেদার পরবাজ খাঁকে একটি মসজিদ নির্মাণ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই নির্দেশ পাওয়ার পর তিনি এই এলাকায় একটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করেন। যে গ্রামটিতে তার সৈন্যরা থাকত সেই গ্রামটির নাম করণ তার নাম অনুসারে করা হয়েছিল প্রবাজপুর গ্রাম।

kalagachia-eco-tourism-park-satkhira

কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম পার্ক: খুলনার সাতক্ষীরা রেঞ্জের অধীনে সুন্দরবনের পশ্চিম অংশে অবস্থিত কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক ও টহলফাঁড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত একটি পর্যটন কেন্দ্র। কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রটির একদিকে লোকালয় ও আরেক পাশে সুন্দরবন, আরমাঝ দিয়ে বয়ে গেছে খোলপেটুয়া নদী। বন পেরিয়ে নদী পথে খাল পার হয়ে কলাগাছিয়া যেতে হয়। লোকালয় পার হয়ে সুন্দরবনের পশ্চিম বনের ভেতর দিয়ে কলাগাছিয়া যাওয়ার সময় দুই ধারের সারি সারি বন মুগ্ধ করে। ইকোট্যুরিজম ঘাটে ট্রলার ভিড়লেই অসংখ্য বানরের দেখা মেলে। মূল অংশে ঢোকার পথে আছে লোহার তৈরি একটি ব্রিজ। এই ব্রিজ পার হলে একটি রেস্টহাউজ ও কাঠের তৈরি আরেকটি ব্রিজ নজরে আসে। কাঠের সেতুর দুই পাশে আছে খলিশা, হর কোচা ও বাইন গাছের সারি। আর বনের ভেতরে আছে বানর ও হরিণের দল। ওয়াকওয়ে দিয়ে সামনে এগিয়ে পাঁচতলা ওয়াচ টাওয়ার থেকে পাখির চোখে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এখানে বনের ভেতরের শিব মন্দিরে বনবিবির পূজা করা হয়। অনেকের বিশ্বাস মন্দিরে দর্শন দিয়ে বনের ভেতরে গেলে সব বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

জেলার পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে নিরাপত্তা ও দর্শনার্থীদের সুবিধায় বিভিন্ন স্পটে বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরিবার নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটাতে সাতক্ষীরা হতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম ভ্রমণ গন্তব্য।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর