বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ঢাকা

সাভারে সৎ ভাই ও মায়ের হাতে মার খেয়ে হাসপাতালে মাদরাসা শিক্ষক

জেলা প্রতিনিধি, সাভার (ঢাকা)
প্রকাশিত: ২৭ মে ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম

শেয়ার করুন:

সাভারে সৎ ভাই ও মায়ের হাতে মার খেয়ে হাসপাতালে মাদরাসা শিক্ষক

সাভারে সৎ ভাই ও মায়ের হাতে মার খেয়ে হাসপাতালে মাদরাসা শিক্ষক

সাভারে পৈতৃক সম্পত্তি বুঝে নিতে চাওয়ায় সৎ ভাই ও মায়ের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন এক মাদরাসা শিক্ষক ও তার মা।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (২৭ মে) দুপুরে বনগাঁ ইউনিয়নের বলিয়ারপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পরে ভুক্তভোগী সালমা খাতুন সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সালমা খাতুন তার স্বামী আবুল হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী। বিয়ের পর আবুল হোসেন বিভিন্নভাবে তার জমি ও স্বর্ণালংকার বিক্রি করিয়ে সেই টাকায় নিজের জমিতে ঘর নির্মাণ করেছেন। এর মধ্যে প্রথম পক্ষের স্ত্রী ও ছেলেদের নামে আবুল হোসেন অধিকাংশ জমি লিখে দিয়েছেন বলে অভিযোগ দ্বিতীয় পক্ষের। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে ঝামেলা চলছে। গত ১২ এপ্রিল রাতে তার দুই ছেলেকে গালিগালাজ ও মারধর করা হয় এবং তাদের জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে জানান সালমা খাতুন।

তিনি বলেন, আমাকে ও আমার দুই ছেলেকে আবুল হোসেন ও তার বড় ছেলে ইকবাল হোসেনসহ ওই পরিবারের সদস্যরা হুমকি দেয়। বলে, আমি ও আমার দুই ছেলে যদি পুনরায় ওই বাসায় আসার চেষ্টা করি ও ইকবালের কাছে টাকা দাবি করি তাহলে আমাদের মেরে ফেলবে। এরপর নানাভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা হয়নি। এরপর আজ দুপুরে আমাকে রাস্তায় একা পেয়ে মারধর করে আবুল হোসেনের প্রথম স্ত্রী জাহানার বেগম ও ছেলে ইকবাল হোসেন। খবর পেয়ে আমার বড় ছেলে মাওলানা মো. সালমান ও ছোট ছেলে শাহীন আসলে তাদেরও দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়।


বিজ্ঞাপন


পরে আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক জানান, কোপের আঘাতে সালমানের পায়ের একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আর শাহীনের হাতের একটি আঙুলে কোপের আঘাত লাগে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে আবুল হোসেন ও তার ছেলে ইকবালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে ভবানীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমরান হোসেন জানান, মারধরের ঘটনাটি জেনেছি। চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত তিন-চার জনের নামে তারা একটি অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর