ঈদের ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসেই বহুল আলোচিত রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত বিচার নিশ্চিতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ লক্ষ্যে ঈদের ছুটির মধ্যেও সংশ্লিষ্ট আদালত খোলা রাখার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউজে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘১ জুন থেকে রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু হচ্ছে। ঈদের ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসেই বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। ইতোমধ্যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আসামি জবানবন্দি দিয়েছে। আমরা বলেছিলাম, এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হবে। সেই প্রক্রিয়ায় আমরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি।’
ঝিনাইদহে এনসিপির সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টিকে এনসিপি যেমন রাজনৈতিকভাবে দেখছে, বিএনপিও একইভাবে দেখছে। তবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে স্থানীয়ভাবে যে আচরণ করা হয়েছে, তা কেউ কামনা করে না এবং সেটি শোভনীয়ও নয়।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফ-উর জামান সিজার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশীদ ঝন্টু, ছাত্রদলের সভাপতি শাহাজান খান, সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ শরীফুল আলম বিলাস, সাধারণ সম্পাদক এম এ তালহা, কৃষকদলের সভাপতি মোকাররম হোসেনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এর আগে সভায় জুলাই সনদ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই সনদকে সবচেয়ে বেশি ধারণ করছে বিএনপি। সনদ বাস্তবায়নে দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলনসহ ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’
বিজ্ঞাপন
পরে তিনি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা মিশনারি মাঠ প্রাঙ্গণে কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
প্রতিনিধি/একেবি




