শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ঢাকা

রাস্তা কেটে ৪ বছর ধরে চলছে কালভার্ট নির্মাণের কাজ, চরম ভোগান্তি

মো. হাবিবুর রহমান, নড়াইল
প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

শেয়ার করুন:

রাস্তা কেটে ৪ বছর ধরে চলছে কালভার্ট নির্মাণের কাজ, চরম ভোগান্তি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় রাস্তা কেটে চার বছর ধরে মাটি কেটে চলছে কালভার্ট নির্মাণের কাজ। পাকা রাস্তা কেটে মাটি খনন করে বছরের পর বছর ধরে ফেলে রাখায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এলাকাবাসীসহ কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।

নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর মধুমতি-নবগঙ্গা উপ-প্রকল্প পূর্ণবাসন ও নবগঙ্গা নদী পুণঃখনন/ড্রেজিং এর মাধ্যমে পুনরুজ্জীবন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এর আওতায় লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামের ফুরকানের দোকানের সামনে জেলের খালের ওপর একটি কালভার্ট নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় ২০.৫৭ ফুট দৈর্ঘ্যের খালের ওপর ৯২ লাখ ৭শ ২৬ টাকা চুক্তিতে কালভার্ট নির্মাণ কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ওয়াহিদুজ্জামান। ২০২৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কাজটি শেষ হবার কথা ছিল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দফায় দফায় কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় নেন। কিন্তু সরজমিনে গিয়ে, দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। মাটি খনন করে ফেলে রেখেছে বক্স কালভার্টের কাজটি।


বিজ্ঞাপন


02ed526b-1b01-4677-9d46-ebda1feda1d6

মাকড়াইল গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন মাটি খুঁড়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু কালভার্টটি না হওয়াতে এলাকার আপামর জনতা ভোগান্তিতে পড়ছে। এরা ঠিক মত কাজ করে না। মাঝে মাঝে আইসে একটু কাজ করে আবার চলে যায়। আর মাটি খুঁড়ে রাখায় প্রায়ই এখানে ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। সামনে বর্ষাকাল আসতেছে, আমরা চাই, দ্রুত এই কালভার্টটি নির্মাণ করা হোক।

তারা আরও জানান, ব্রিজ করার জন্য এখানে মাটি খুঁইড়ে থুয়ে গেছে দীর্ঘদিন। ঠিকাদারের কোনো খোঁজ খবর নেই। আমরা আছি বিপদে, গাড়ি-ঘোড়া চালাতি পারতিছিনে। ঠিকমত চলাফেরাও করা যাচ্ছে না। দ্রুত কাজটি শেষ করলে আমরা একটু বাঁচতাম।

98df218c-39cf-4aef-929d-d9fc0d5d4c15


বিজ্ঞাপন


এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ওয়াহিদুজ্জামানের মালিক ওয়াহিদুজ্জামান বারবার তার মুঠোফোনে ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। যে কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা বলেন, আমরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে লিখিত এবং মৌখিকভাবে চাপ দিচ্ছি। ২০২৬ সালের জুন মাসে এই প্রজেক্ট শেষ হয়ে যাবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে যদি কাজটি শেষ করতে না পারেন তাহলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

প্রতিনিধি/টিবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর