মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ঢাকা

ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধস, ঝুঁকি নিয়েই পারাপার

জেলা প্রতিনিধি, রংপুর
প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৬, ১১:৫৩ এএম

শেয়ার করুন:

ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধস, ঝুঁকি নিয়েই পারাপার
মেরিপাড়া এলাকায় নলশিষা নদীর ওপর নির্মিত একটি ব্রিজের সংযোগ সড়কের এক পাশ ধসে পড়ায় চরম দুর্ভোগ।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের মেরিপাড়া এলাকায় নলশিষা নদীর ওপর নির্মিত একটি ব্রিজের সংযোগ সড়কের এক পাশ ধসে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বাঁশের পাটাতন তৈরি করে চলাচল করছেন পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে কয়েক বছর আগে নলশিষা নদীর ওপর ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। এটি মেরিপাড়া, নলশিষা ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ শত শত মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। সম্প্রতি ব্রিজের এক পাশের সংযোগ সড়ক ধসে গেলে যান চলাচল ও যাতায়াত ব্যাহত হয়। পরে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে বাঁশের পাটাতন তৈরি করে অস্থায়ীভাবে পারাপারের ব্যবস্থা করেন।


বিজ্ঞাপন


এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা নিয়েই চলাচল করছি। এই সমস্যার নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। ঝুঁকি নিয়ে চলাচলে জনদুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মামুন মিয়া বলেন, ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের ওপর দিয়ে তারা পারাপার হচ্ছেন। সংযোগ সড়কের দ্রুত সংস্কার না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আরেক বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, এখন তবুও কোনোমতে চলাচল করা যাচ্ছে। চলাচলের সময় মোটরসাইকেল বা ভ্যান গেলে পাটাতন দুলতে থাকে। তবে বর্ষা মৌসুম এলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। দ্রুত মেরামত প্রয়োজন।

পথচারী আমিনুল ইসলাম, রিয়াজ, সাগর, আব্দুল মমিনসহ অনেকে জানান, প্রতিদিন কাজে যেতে এই পথ ব্যবহার করতে হয়। বর্তমানে বয়স্ক মানুষ ও স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির কারণ হয়েছে। যার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।


বিজ্ঞাপন


এ বিষয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান বাপ্পি বলেন, ব্রিজটির সংযোগ সড়কের এক পাশ ধসে যাওয়ার বিষয়টি জানার পর স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ আসা মাত্রই দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর