পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ফাইসা মাছের রেণু পাচারকালে সাতজন পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
আজ রবিবার (১০ মে ২৬) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের প্রত্যেককে ১৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী থেকে বাগেরহাটের রামপালগামী একটি নৌযান অনুসরণ করে নেছারাবাদ কোস্টগার্ড টিমের অভিযানে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় তাদের আটক করা হয়। অভিযানে ১৩ মণ ওজনের ২ লক্ষ ৫০ হাজার পিস ফাইসা ও বাটা মাছের রেণু জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা।
এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় দাকোপ গ্রামের অহিদুজ্জামানের ছেলে মো. রেজওয়ান (৩৮), মো. রেদওয়ান (২৮), দেলোটি পাইকগাছা গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে মো. মুস্তাঈন (৩৫), দাকোপ গড়খালী বটবুনিয়া গ্রামের মো. ইদ্রিস গাজীর ছেলে মো. জাকির গাজী (৪১), দাকোপ গড়খালী গ্রামের মো. মোকসেদ সরদারের ছেলে মো. সিরাজ সরদার (৫৮), পাইকপাড়া দেলোটি গ্রামের মো. শুকুর আলী শেখের ছেলে মো. তুহিন শেখ (২৬) এবং একই এলাকার মো. হাফিজুল ইসলামের ছেলে মো. পলাশকে (৪০) ১৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
নেছারাবাদ কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার শামীম পারভেজ জানান, সাজাপ্রাপ্তদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত মূল্যবান রেণুপোনাগুলো জনসম্মুখে বলেশ্বর নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে বলে তিনি জানান।




