ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)।
শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে দলটির নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
বিজ্ঞাপন
মিছিলটি শাহবাগ হয়ে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জেডিপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম বলেন, সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, পতিত হাসিনা সরকারের মতো নতজানু পররাষ্ট্রনীতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে চলতে পারে না। অথচ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশের নাগরিকদের হত্যার সাহস দেখাচ্ছে।
সরকারের সমালোচনা করে জেডিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব নুরা জেরিন বলেন, দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার পরও সরকার কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সরকার যতটা সরব, নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তার প্রশ্নে ততটাই নীরব।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে জেডিপির আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ, প্রধান সংগঠক আহছান উল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান হোসেন রাহাতসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এছাড়া জাতীয় ছাত্রমঞ্চ-এর নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুরসালিন এবং একই ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের নবীর হোসেন বিএসএফের গুলিতে নিহত হন বলে সমাবেশে উল্লেখ করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বক্তারা সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
এমআর/ এজে




