চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকায় মারছা পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৩ জন।
শনিবার (৯ মে) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার চুনতির ফোর সিজন রেস্টুরেন্ট–সংলগ্ন এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
ঘটনাস্থলেই নিহত হন রেহেনা বেগম (৬০)। তিনি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পাচুরিয়া এলাকার বাসিন্দা বদিউল আলমের স্ত্রী। পরে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত বাকি তিনজনের পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী, এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মারছা পরিবহনের দ্রুতগতির বাস দুটির একটি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছিল। অন্যটি কক্সবাজার থেকে যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। লোহাগাড়ার চুনতি এলাকায় বাস দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পূর্ব পাশে থাকা একটি গাছে ধাক্কা খায়। অন্য বাসটি মহাসড়কের পশ্চিম পাশে থাকা একটি দোকানে ঢুকে যায়। এ সময় মালামালের ক্ষতি হলেও দোকানের ভেতরে থাকা কেউ হতাহত হননি।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ফিরোজ খান বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি লাশ উদ্ধার করি। এ ছাড়া ছয়জনকে শঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে ফায়ার সার্ভিস। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আরও বেশ কিছু যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের বাসিন্দারা স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।’
লোহাগাড়ার চুনতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্বাস আলী বলেন, ‘ঘটনাস্থলে মৃত্যু হওয়া যাত্রী একজন নারী। তার আনুমানিক বয়স ৬০ বছর। হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩ জনের। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় ২০–২৫ জনের বেশি যাত্রী আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/একেবি




