বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ঢাকা

খুলনায় নেই পশুর সংকট, দাম নিয়ে শঙ্কা

জেলা প্রতিনিধি, খুলনা
প্রকাশিত: ০৭ মে ২০২৬, ০৯:১৬ এএম

শেয়ার করুন:

খুলনায় নেই পশুর সংকট, দাম নিয়ে শঙ্কা

ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে খুলনায় পশুর সংকট নেই। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি থাকায় এবার দামও ক্রেতাদের নাগালে থাকার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে খামারিরা বলছেন পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে কোরবানির পশুর দামও বাড়তে পারে। তবে বিভাগে এবার ১০ দশমিক ৭৯ লাখ পশুর চাহিদার বিপরীতে প্রায় ১৪ দশমিক ৪৭ লাখ কোরবানির পশু রয়েছে। সেক্ষেত্রে দাম নিয়ে স্বস্তি মিলতে পারে।

# গত বছরের তুলনায় পশুর চাহিদা বেড়েছে আড়াই লাখ

# সংশ্লিষ্টরা বলছেন চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম কমবে।

# পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে কোরবানির পশুর দামও বাড়তে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভাগের ১০ জেলায় ১০ লাখ ৭৯ হাজার ৪৪৯টি কোরবানির পশুর চাহিদার বিপরীতে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৬০টি উদ্বৃত্ত রেখে মোট ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮০৯টি কোরবানির পশু স্থানীয় ভাবে পালন করা হয়েছে।

এ বছরের কোরবানির পশুগুলোর মধ্যে রয়েছে— ষাঁড় ১ লাখ ৩০ হাজার ৪২৭টি, বলদ ৩২ হাজার ২৭টি, গরু ৮২ হাজার ৩০২টি, মহিষ ৪ হাজার ৮৯টি, ছাগল ৮ লাখ ৫১ হাজার ৩৭০টি, ভেড়া ৫১ হাজার ১৭৩টি এবং অন্যান্য ২১৬টি।

f2f3c910-4487-47c8-b4e7-bf569321e725


বিজ্ঞাপন


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ-উল-আজহার আগেই বিভাগের ১০ জেলা এবং খুলনা শহরের অস্থায়ী পশুর হাটে বিপুল পরিমাণে কোরবানির পশু আনা হবে। ফলে খুলনার চাহিদা মেটাতে অন্য দেশ থেকে পশু আমদানি করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানান তিনি।

কয়রা উপজেলার আমাদি গ্রামের খামার মালিক নিতাই রায় বলেন, পশুখাদ্যের দাম বাড়ার কারণে এ বছর পশুর দাম কিছুটা বেশি হবে। আমি দশটি পশু প্রস্তুত করেছি কোরবানির জন্য। ভাল দাম না পেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

বাটিয়াঘাটা উপজেলার খামারি মফিজুল ইসলাম বলেন, প্রায় এক বছর ধরে শুধু ঘাস, ভুট্টা, গমের ভুসি ও স্থানীয় পশুখাদ্য ব্যবহার করে সাতটি দেশি গরু পালন করেছি। পশুগুলোকে সুস্থ এবং ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলেছি। আশা  করছি ভাল দাম পাবো।

a2c2a37c-e63f-4be3-9664-295ab539fbe3

পশুখাদ্য বিপণনের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, পশুখাদ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি। তাদের মতে ফিডের দাম বাড়ায় গরু পালনের খরচ বেড়েছে, ফলে কোরবানির পশুর দামও বাড়তে পারে।

খুলনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিওএলএস) পরিচালক ড. মোহাম্মদ গোলাম হায়দার বলেন, গত বছর কোরবানির পশুর চাহিদা ছিল প্রায় ৮ দশমিক ২৯ লাখ। এ বছর তা আড়াই লাখ বৃদ্ধি পেয়ে চাহিদা দাড়িয়েছে ১০ দশমিক ৭৯ লাখে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় পশু দিয়েই শতভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। কারণ বিভাগে মোট ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৬০টি উদ্বৃত্ত পশু থাকবে, যা চাহিদার চেয়ে ৭৪ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি। যেহেতু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ পর্যাপ্ত, তাই দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিনিধি/টিবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর