সেবিকা পরিচয়ে ফেনী শহরের ‘কেয়ার হাসপাতাল’-এ বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রসূতি নারীদের নিয়ে আসতেন ছকিনা বেগম। বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনে তিনি ‘সিনিয়র সেবিকা’ লেখা ভিজিটিং কার্ডও ব্যবহার করতেন।
মঙ্গলবার তার নিয়ে আসা এক প্রসূতি ওই হাসপাতালে মৃত সন্তান প্রসব করলে হট্টগোল শুরু হয়। এর মাধ্যমেই বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছকিনা বেগম ওই হাসপাতালের কর্মী নন এবং তার ব্যবহৃত ভিজিটিং কার্ডটিও ভুয়া।
বিজ্ঞাপন
রাতে তাকে আটক করেছে পুলিশ, জানিয়েছেন ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম ভূঁইয়া।
কেয়ার হাসপাতালের ওই ঘটনার পর ছকিনা জানান, ফেনী সদরের জাহানপুর থেকে ওই প্রসূতিকে আনেন তিনি। দুই ঘণ্টা পর রাত ৯ টার দিকে স্বাভাবিক প্রসবে মৃত সন্তান জন্ম দেন ওই নারী। এ নিয়ে ছকিনার ওপর ক্ষুব্ধ হন স্বজনরা, শুরু হয় হট্টগোল।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গিয়ে জানতে পারে, সেখানকার নার্স দাবি করে প্রসূতি নারীদের নিয়ে আসতেন ছকিনা। সিজারিয়ান ডেলিভারির জন্য দুই হাজার ও নরমাল ডেলিভারির জন্য দেড় হাজার টাকা নিতেন রোগীর কাছ থেকে।
হাসপাতালের পরিচালক মো. আলাউদ্দিন আলোর দাবি, ছকিনা সেখানকার নার্স বা কর্মী নন। ওই ভিজিটিং কার্ড ছেপে দিতেন হাসপাতালের সাবেক কর্মচারী আব্দুস সাত্তার। মৃত সন্তান প্রসবের ঘটনায় তার ভাষ্য, গর্ভে আগেই মারা যায় শিশুটি।
বিজ্ঞাপন
ছকিনাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ, আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে, জানিয়েছেন ফেনী মডেল থানা ওসি ফৌজুল আজিম।
প্রতিনিধি/একেবি




