ফরিদপুরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া সেই আওয়ামী লীগ (বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন) নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। ঘটনার ২৯ ঘণ্টা পর ঢাকার দোহার উপজেলা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচন্ডি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চরভদ্রাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দোহার থানা পুলিশের সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় আসামির অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চরভদ্রাসনের চর সালেপুর মুন্সিরচর বাজার এলাকা থেকে কবির খানকে গ্রেফতার করে হাতকড়া পরায় পুলিশ। তাকে মোটরসাইকেলে তোলার সময় তার ভাই সূর্য খানসহ ১০-১৫ জন অনুসারী পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে এসআই রফিকুজ্জামানের ডান হাতসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। এই সুযোগে কবির খান হাতকড়া পরা অবস্থাতেই পালিয়ে যান।
পরবর্তীতে কবির খানের ফেলে যাওয়া হাতকড়াটি একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ থানায় জমা দেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, কবির খানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ আগে থেকেই দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এসআই মো. রফিকুজ্জামান বাদী হয়ে নতুন একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এই ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আলমগীর (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার বেলা ১১টায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চরভদ্রাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক খান বলেন ‘কবির খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই দুটি মামলা ছিল। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত নতুন মামলাতেও তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
প্রতিনিধি/একেবি




