মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

ফুলছড়িতে ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা 
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম

শেয়ার করুন:

ফুলছড়িতে ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এমএইউ একাডেমিক বিদ্যালয়।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এমএইউ একাডেমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের গাফিলতিতে ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে উৎকণ্ঠায় আছেন শিক্ষার্থী-অভিভাকরা।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বিষয়টি জানাজানি হলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তবে পরীক্ষার আগেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার।


বিজ্ঞাপন


জানা গেছে, আগামী বুধবার থেকে সারা দেশে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা শুরু হবে। উপজেলার কঞ্চিপাড়া এমএইউ একাডেমিক বিদ্যালয়ের ২১২ শিক্ষার্থী চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এসব পরীক্ষার্থী স্কুল থেকে প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড) তুলতে দিয়ে দেখে কারও মা, কারও বাবার নাম ভুল, আবার ছেলে পরীক্ষার্থীর ছবির জায়গায় মেয়ের ছবি। বিজ্ঞান বিভাগের প্রবেশপত্রে আসে মানবিক বিভাগ। আবার কিছু পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রই আসেনি। কয়েক দিন আগে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র হাতে তুলে দেয়। কিন্তু এই বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ভুলে ভরা।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞানের এসএসসি পরীক্ষার্থী পেল মানবিক প্রবেশপত্র, দুশ্চিন্তায় পরিবার

চলতি এসএসসি পরীক্ষায় কঞ্চিপাড়া এমএইউ একাডেমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৬৮, মানবিকে ১৪৫ জনসহ মোট ২১২ জন অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টাকা থেকে বঞ্চিত করতেই তিনি একা বাইরে কম্পিউটারের দোকানে কাজ করতে গিয়ে এই অবস্থার সৃষ্টি করেছেন।


বিজ্ঞাপন


পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরের সহযোগিতা না নিয়ে বাইরের দোকান থেকে কাজ করার কারণে প্রবেশপত্রে এ ধরনের ভুল হয়েছে। আমরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ চাই।

প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার বলেন, আমার কারণে ভুল হয়েছে। আমি সমাধান করে দেব। একজন পরীক্ষার্থীও পরীক্ষা থেকে বাদ পড়বে না। সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা সৈয়দ মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রধান শিক্ষককে সংশোধন করতে বলেছি এবং আমি চেষ্টা করতেছি। পরীক্ষার আগেই সমাধান হয়ে যাবে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর