ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ধর্ষণ মামলায় এরফানুর রহমান (৩২) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কুটি ইউনিয়নের মাইজখার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
বিজ্ঞাপন
এরফানুর রহমান উপজেলার খাড়েরা গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত এরফানুর রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সেখানে এক যুবতীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই যুবতীকে অনৈতিক সম্পর্কে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে একাধিকবার বিয়ের কথা বললেও অভিযুক্ত তা এড়িয়ে যান। গত ১০ এপ্রিল ভুক্তভোগীকে না জানিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেন তিনি। এরপরই ভুক্তভোগী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানান, রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা মামলায় ডিএমপির পুলিশ সদস্যরা এরফানুর রহমানকে গ্রেফতার করে। কসবা থানা পুলিশ তাদের সহযোগিতা করেছে।
/এএস




