রোববার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

গাজীপুরে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও কমেনি গ্রাহক ভোগান্তি

জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর
প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম

শেয়ার করুন:

গাজীপুরে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও কমেনি গ্রাহক ভোগান্তি

জ্বালানির দাম বাড়লেও গাজীপুরে সংকট কাটেনি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছে না বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেল চালকরা। গাজীপুরের শতাধিক তেলের পাম্পের কর্মীরা বসে বসে অলস দিনযাপন করছেন। অপরদিকে দূর দূরান্ত থেকে আসা বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ অন্য যানবাহন চালকেরাও পাম্পে তেলের আশায় বসে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল থেকে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১০টি পাম্পে সরে জমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ পাম্পেই জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। তবুও বিকেলে তেল পাবে এমন আশায় পাম্পে ভিড় করছেন গ্রাহকেরা। কেউ গাড়িতে বসে মোবাইল চালাচ্ছেন, কেউ একে অপরের সঙ্গে গল্প করছেন। অনেকের মুখে বিরক্তির ছাপ, অনেকেই আবার সিরিয়াল দিয়ে হাতের কাজ শেষ করতে চলে গেছেন।


বিজ্ঞাপন


চালকরা বলেন, এখানকার চার-পাঁচটা পাম্পে বিকেলে তেল দেওয়া হবে এই কথা শুনে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে সবাই। রাত থেকেই অতিরিক্ত দাম কার্যকর হলেও ভোগান্তি কমেনি। একদিকে তেল পাওয়া যাচ্ছে না, অপরদিকে মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এটা জীবনযাত্রার ওপর অতিরিক্ত খরচের বোঝা বাড়াচ্ছে। এখন তেল নিতে গিয়ে শুধু দাম নয়, অতিরিক্ত সময় ও শ্রম ব্যয় হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের৷

e7268261-d2a8-4e9c-bad1-0afb0c0b71cd

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে ১৯ স্লুইসগেট অকেজো, জলাবদ্ধতা ও ভাঙনে বিপর্যস্ত কৃষি-জনজীবন

নাওজোড় এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনে ১০ ঘণ্টা ধরে সিরিয়াল দিয়ে লাইনে কাভার্ডভ্যান রেখেছেন চালক মজনু মিয়া। তিনি বলেন, এমনিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাওয়া যায় না, তারমধ্যে আবার দাম বেড়েছে। আমরা কোনদিকে যাব৷ দাম বেড়েছে শুনে ভাবলাম হয়ত পর্যাপ্ত তেল পাব। কিন্তু এসে দেখি কোনো পাম্পেই তেল নেই। শুনেছি বিকেলে তেল পাওয়া যেতে পারে, এজন্য অপেক্ষা করছি।


বিজ্ঞাপন


পাম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অকটেনের দাম ১২০ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪০ টাকা। পেট্রোলের দাম ১১৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩৫ টাকা। আর কেরোসিনের দাম ১১২ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩০ টাকা। দাম বাড়ানোর পরও চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না তারা।

6ab49bcf-3a5d-4c99-8fca-36addcd14e81

নাওজোড় এলাকায় আউশি ফিলিং স্টেশনে কথা হয় ম্যানেজার বিপুল আহমেদের সঙ্গে। তিনি বলেন, তাদের ফিলিং স্টেশনে দৈনিক ১৩ হাজার লিটার তেল পাওয়া যায়। কিন্তু গ্রাহক চাহিদা বেশি থাকায় ৪-৫ ঘণ্টায় এই মজুত শেষ হয়ে যায়। শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকায় ডিপো থেকে তেল আনা সম্ভব হয়নি। রোববার তেলের ট্যাংক লরি ডিপোতে গিয়েছে। সন্ধ্যায় আশা করছি গাড়িতে তেল দিতে পারব।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর