শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

গেঞ্জি দিয়ে নিশাতের শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ইসহাক

জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

শেয়ার করুন:

গেঞ্জি দিয়ে নিশাতের শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ইসহাক
বায়ে স্কুলছাত্রী নিশাত (৬) ও ডানে হত্যাকারী ইসহাক মিয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্কুলছাত্রী নিশাত (৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অনৈতিক কাজে বাধা দেওয়ায় ইসহাক মিয়া নামে এক প্রতিবেশী শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার সচীন চাকমা।

অভিযুক্ত ইসহাককে আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রাম থেকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই। ইসহাক পেশায় একজন অটোরিকশা চালক।


বিজ্ঞাপন


এর আগে, নিখোঁজের দুইদিন পর গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি খোলা জায়গা থেকে নিশাতের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরে নিশাতের মা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন

গিয়েছিল চিপস কিনতে, দুইদিন পর মিলল শিশুর বস্তাবন্দি লাশ

তার আগে ১৫ এপ্রিল দোকান থেকে চিপস কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় নিশাত। সে মোহনপুর গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী আবু সাদেক মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের নার্সারি বিভাগের ছাত্রী ছিল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার সচীন চাকমা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইসহাক হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। ঘটনার দিন (১৫ এপ্রিল) দুপুরে মোহনপুর গ্রামের একটি স্কুলের সামনে নিশাতের সঙ্গে তার দেখা হয়। পরে সে ঘোরানোর কথা বলে নিশাতকে নিয়ে সদর উপজেলার রসুলপুর এলাকার একটি পার্কে যায়। সারাদিন ঘুরে রাত ১০টার দিকে নিশাতকে নিয়ে গ্রামে ফিরে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তারপর নিশাতকে বাড়িতে যেতে বলে। ওইদিন বাড়িতে ইসহাক একাই ছিল বাড়িতে৷ তার স্ত্রী-সন্তান ছিল শ্বশুর বাড়িতে।


বিজ্ঞাপন


তিনি আরও বলেন, ইসহাকের উদ্দেশ্য ছিল রাতে সে নিশাতের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করবে। এ পর্যায়ে নিশাতের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিলে বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বলে দেবে বলে জানায়৷ এ ঘটনার পর জানাজানি হওয়ার ভয়ে ইসহাক তার গেঞ্জি দিয়ে নিশাতের মুখ চেপে ধরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর