নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে পুলিশের তাড়া খেয়ে লুট করা ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেলে রেখে পালিয়েছে অভিযুক্তরা।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পৌরশহরের দৌলতপুর এলাকায় আল মামুন নামে এক ব্যক্তির বাসায় এ লুটের ঘটনা ঘটে। এসময় ঘরে ঢুকে স্প্রে দিয়ে অজ্ঞান করে বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে যায় দুই ব্যক্তি।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৮ এপ্রিল) মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে পৌরশহরের দৌলতপুর এলাকায় আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। এসময় ঘরে থাকা স্বর্ণের কানের দুল, গলার হার, হাতের বালা ও ডায়মন্ডের আংটিসহ ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় চোরেরা। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার থানায় অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ পেয়েই মালামাল উদ্ধার ও চোর ধরতে অভিযানে নামে থানা পুলিশ। ব্যাপক অভিযানে ভীত হয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় আল মামুনের বারান্দায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ফেলে যায় চোরেরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে এসব উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে আল মামুমের ছোট ভাই ফুয়াদ হাসান বলেন, শুক্রবার রাতে বাসার বারান্দায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ফেলে রেখে গেছে চোরেরা। গুনে দেখেছি সবকিছু ঠিকঠাকই আছে, কোনো কমতি পাওয়া যায়নি। যথা সময়ে পুলিশ উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা চুরি হওয়া টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরত পেয়েছি। এ জন্য আমরা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ।
ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, অভিযোগ পেয়েই মালামাল উদ্ধার ও চোর ধরতে ব্যাপক অভিযান শুরু করি। পুলিশের তৎপরতায় ভীত হয়ে চুরি হওয়া মালামাল ও টাকা যথাস্থানে ফেলে রেখে গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা স্বর্ণালংকার ও টাকা ভুক্তভোগী আল মামুনের কাছে ফেরত দেওয়া হবে।
প্রতিনিধি/টিবি




