রোববার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

৩ মাস পরপর আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে: কুসিক প্রশাসক

জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লা
প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৬ পিএম

শেয়ার করুন:

৩ মাস পরপর আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে: কুসিক প্রশাসক
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে অতীতে প্রশাসনিক কাঠামোয় দুর্নীতির প্রভারের কারণে অনেক কর্মকর্তা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। যার কারণে উন্নয়নে গুণগত মান ঠিক ছিল না। প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। তবে বর্তমান প্রশাসন সেই চক্র ভেঙে একটি জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা নগরবাসীর ট্যাক্সের টাকার ব্যবহার নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি তিন মাস পরপর আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব নিয়ে জনগণের সামনে তুলে ধরেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।


বিজ্ঞাপন


একইসঙ্গে কুমিল্লাকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরীতে রূপ দিতে বেশ কিছু বড় উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। 

cumilla

নগর উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, গোমতী নদীর দুই তীরজুড়ে একটি দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণ করা হবে এবং এর মাঝখানে থাকবে আকর্ষণীয় ঝুলন্ত সেতু। এছাড়া লিবার্টি চত্বরকে পুবালি চত্বরের আদলে সম্প্রসারণ করে সেখানে আন্তর্জাতিক মানের ফোয়ারা স্থাপন করা হবে, যা নগরীর সৌন্দর্য বাড়াবে।

আরও পড়ুন

‘দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর প্রক্রিয়া শুরু’

সভায় কুসিক প্রশাসন তাদের সাম্প্রতিক আর্থিক অবস্থার একটি বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে। রাজস্ব খাতে ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট আয় হয়েছে ৪১ কোটি ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৬৪ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৯৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৮৬ টাকা। আগের স্থিতিসহ মোট প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ৬১ কোটি ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৪ টাকা, যার মধ্যে ব্যয় শেষে বর্তমানে অবশিষ্ট রয়েছে ২৩ কোটি ২৯ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৮ টাকা। উন্নয়ন প্রকল্পভিত্তিক ব্যয়ের চিত্রে দেখা যায়, সিআইডিপি (ডিপিপি) প্রকল্পে মোট প্রাপ্তি ৯৭৭ কোটি ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৮০৫ টাকা, যার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৬৭৬ কোটি ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭৭ টাকা এবং অবশিষ্ট রয়েছে ৩০১ কোটি ১০ লাখ ৭৫ হাজার ১২৭ টাকা। এই অবশিষ্ট অর্থের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যয়ের জন্য প্রস্তুত রয়েছে, এর মধ্য থেকে ১১টি প্রকল্পে প্রায় ৬৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

এলজিএসপিআরআরপি (কোভিড-১৯) প্রকল্পে মোট প্রাপ্তি ছিল ২৮ কোটি ৮২ লাখ ৪১ হাজার ২১০ টাকা, যার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২৬ কোটি ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৭৪ টাকা। ফলে এই প্রকল্পে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ২ কোটি ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩৬ টাকা, যা থেকে বোঝা যায় এই খাতে বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ ইতোমধ্যেই ব্যয় করা হয়েছে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর