পঞ্চগড়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, ১৪ এপ্রিল দেশের অন্য এলাকার মতো পাইলট প্রকল্প হিসেবে পঞ্চগড়ের পাঁচপীর এলাকায় দুই হাজার কৃষককে কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়াল কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। কিন্তু আমি নিজেও জানি না কারা এই কার্ড পাবেন। আমাদের কৃষি মন্ত্রণালয়, ইউএনও সাহেব তিন স্তরে যাচাই-বাছাই করে নির্ধারণ করেছেন, কে কে কোনো ক্যাটাগরি এ কার্ড পেতে পারেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৭তম বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষি কার্ড বিতরণে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি দেখা হবে না, কোনো ধর্ম-বর্ণ দেখা হবে না। যারা পাওয়ার যোগ্য, তাকেই আমরা প্রদান করা হবে। এইভাবে বাংলাদেশের চার কোটি পরিবারের প্রত্যেকটি পরিবারের গৃহিণীকে ফ্যামিলি কার্ডটা প্রদান করা হবে। ফ্যামিলি কার্ড ইতোমধ্যে উদ্বোধন হয়েছে, ইনশাল্লাহ সামনের দুই-আড়াই মাসের মধ্য দিয়ে আমার সারা বাংলাদেশে ৫০ লাখ ফ্যামিলি কার্ড আমরা উদ্বোধন করব।
তিনি বলেন, আমাদের যুব সমাজ, পরিবার, আমাদের সন্তানদের, আগামী দিনের বাংলাদেশকে রক্ষা করতে শুধু প্রশাসন নয়, দল, মত, ধর্ম, বর্ণ সর্বোপরি প্রত্যেকটা সচেতন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করে নেশার ছোবল থেকে আমাদের তরুণ সমাজকে, আগামী দিনের প্রজন্মকে রক্ষা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক কালবৈশাখি ঝড়, শিলাবৃষ্টি যখন কোনো দল বুঝে নাই, কোনো ধর্ম বুঝে নাই, আমি আশা করব আমাদের এই যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমরা যে আমাদের এই অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের যে ত্রাণ সহায়তা করা হবে, সেখানেও কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কাউকে বিচার করা হবে না। যারা পাওয়ার যোগ্য, যারা ক্ষতিগ্রস্ত সেই মানুষটাই যেন আমাদের এই সামগ্রীটা পেয়ে উপকৃত হতে পারে।
পরে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী এবং ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নগদ দুই হাজার টাকা ও এক প্যাকেট শুকনো খাবার, ১৩০ পরিবারের সদস্যদের হাতে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন ও তিন হাজার টাকা এবং ৪৩০ জনকে ১৫ কেজি করে চাল তুলে দেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/ এজে




