স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরি বলেছেন, নীলফামারিতে ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট যে হাসপাতাল হবে, তার মধ্যে ৫০০ বেড হবে জেনারেল এবং ৫০০ বেড হবে বিশেষায়িত। আমাদের গণপূর্ত, স্বাস্থ্য প্রকৌশলি অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর এবং এনএপিডি এই চার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট কারিগরি দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করে আমাদের একটি থিম্যাটিক নকশা তৈরি করে দেবে। সে অনুসারে গঠিত কমিটির সুপারিশমালাসহ প্রতিবেদন আগামী ১৬ তারিখের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়া হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে নীলফামারীর টেক্সটাইল মাঠে চীনের উপহারের ১ হাজার শয্যার বাংলাদেশ চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
স্বাস্থ্য সচিব আরও বলেন, নীলফামারীতে এয়ারপোর্ট আছে, এটা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট হতে পারে। এখানে ট্রেন, রেল যোগাযোগ আছে। যা আরও উন্নত হতে পারে। এখানে সড়ক যোগাযোগে মহাসড়ক আছে। সার্বিক যোগাযোগ কাঠামোর সুফলটা আমরা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। এ ছাড়া, এখান থেকে সার্ক অঞ্চলের যোগাযোগটা আমার মনে হয় সহজ হবে। সেই ক্ষেত্রে এই এলাকা চিকিৎসার হাব হবে এবং সেন্টার অব এক্সিলেন্স হবে। সেই বিবেচনায়ও আমরা এই স্থানকে সুপারিশ করেছি।
এই এলাকায় ১৬টি জেলায় প্রায় আড়াই কোটি জনগণ আছে। আমরা কিছু কিছু সার্ভে করেছি। এখানে ক্যানসার, হৃদ্রোগ, কিডনি রোগ এই সমস্ত রোগগুলো আমরা দেখছি, ডেটা নিচ্ছি। গত পাঁচ বছর, দুই বছর এই সমস্ত ডেটা নিচ্ছি যে এখানে কি ধরনের রোগীরা ঢাকা যায় কিংবা রাজশাহী শহরে চলে যায় কিংবা বাইরে চলে যায়। আমরা লক্ষ্য করেছি, খুলনা অঞ্চল থেকেই অনেক বড় একটা সার্কেলের রোগীরা বাইরে চলে যায়। তাই সবকিছু বিবেচনায় আমরা এই স্থানটি নির্ধারণ করেছি।
এ সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইদুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাকিউজ্জামানসহ উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি/এজে




