বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

কুষ্টিয়ায় স্কুল হোস্টেলে নবম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম

শেয়ার করুন:

কুষ্টিয়ায় স্কুল হোস্টেলে নবম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

কুষ্টিয়া শহরের ‘এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ’-এর আবাসিক হোস্টেলে জুবায়ের আহম্মেদ (১৪) নামের নবম শ্রেণির এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শহরের হাউজিং এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের ‘নবান্ন হোস্টেলে’ এই ঘটনা ঘটে।


বিজ্ঞাপন


নিহত জুবায়ের কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লাহর দর্গা এলাকার মহাসীন হোসেনের ছেলে। সে ওই প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় থাকতো।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত জুবায়ের আহমেদ এ্যাজমার রোগী ছিলো। আবাসিকে থাকা অবস্থায় গত দুই বছর ধরে এ্যাজমার মেডিসিন ব্যবহার করতো। রাত একটায় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভূতি শুরু হয়ে জুবায়ের অসুস্থ হয়ে পরে। তারপর রাত ৩টার দিকে শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে আবাসিকের দায়িত্বরত শিক্ষকরা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক রাসেল বলেন, এটা একটা ন্যাচারাল ডেথ। রাতে সে হঠাৎ তার বুকে ব্যথা অনুভব করছে। সঙ্গে সঙ্গে তার রুমমেটরা ধরে নিয়ে আসছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথেই সে মারা গেছে। দুই বছর ধরেই ওই ছেলে এ্যাজমার ওষুধ সেবন করতো বলে জানা গেছে।

নিহতের পিতা মহাসীন হোসেন জানান, আমার বাচ্চার এ্যাজমা সমস্যা ছিল। এ্যাজমার ওষুধ ও খাচ্ছে। তার রুমে এখনো ওষুধ আছে। আমার দুইটা ভাই এমবিবিএস ডাক্তার তারা যেভাবে বলতো আমি সেভাবেই ওষুধ খাওয়াইতাম। হঠাৎ করে আমার বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পরলে আমার এক ভাতিজা আমাকে ফোন করে জানিয়ে মোটরসাইকেলে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা গেছে। আমার বাচ্চাকে পোস্টমর্টেম করতে চাই না, আমি সসম্মানে নিয়ে গিয়ে দাফন সম্পন্ন করতে চাই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের কোনও অভিযোগ নেই।


বিজ্ঞাপন


কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হোসেন ইমাম জানান, এডুকেয়ারের আবাসিক ভবনে অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ৩টার দিকে হাসপাতালের  ইমারজেন্সিতে নিয়ে আসে। ইমারজেন্সির ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করে। তবে যেহেতু বাচ্চাটি একটা প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ভবনে মারা যায়, সেই অনুযায়ী মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ হলে ডাক্তার হাসপাতাল পুলিশকে খবর দিলে, হাসপাতাল পুলিশ লাশ মর্গে পাঠায়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন মাতুব্বার জানান, এ বিষয়ে কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় নাই। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিনিধি/ এজে

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর