বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

৭২ ঘণ্টার বেশি বন্দর এলাকায় থাকতে পারবে না কোনো লাইটার জাহাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৮ পিএম

শেয়ার করুন:

৭২ ঘণ্টার বেশি বন্দর এলাকায় থাকতে পারবে না কোনো লাইটার জাহাজ

মজুতদারি নিয়ে লাইটার ও কোস্টার জাহাজগুলোর প্রতি বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, চট্টগ্রাম বন্দর ও সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর। সতর্কতায় বলা হয়েছে, পণ্যবাহী কোনো লাইটার ও কোস্টার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের নোঙর এলাকায় ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো থাকতে পারবে না।

জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরের নোঙর এলাকায় লাইটার ও কোস্টার জাহাজে ভাসমান মজুতদারি গড়ে তোলার বিরুদ্ধে এমন সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এসব তথ্য জানান কোস্ট গার্ড জাহাজ বিসিজিএস জয় বাংলার নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট নাফিস ফুয়াদ বসনিয়া। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে বহির্নোঙরসহ চট্টগ্রাম বন্দরের নোঙর এলাকায় বিভিন্ন লাইটার জাহাজ ও কোস্টারে বিপুল পরিমাণ পণ্য অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গত ৮ এপ্রিল বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বহির্নোঙরসহ বন্দরের এলাকায় অবস্থানকারী বিভিন্ন লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মজুতদাারির প্রমাণ পেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে চট্টগ্রাম বন্দরসহ বহির্নোঙরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

একইসঙ্গে বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজকে নোঙর এলাকায় অবস্থান করতে না দেওয়া, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলবাহী জাহাজ দ্রুত গন্তব্যে পাঠানো এবং আইন অমান্যকারী জাহাজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

যে কোনো ধরনের মজুতদারির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রতিনিধি/টিবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর