মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

দাফনের ৭ মাস পর পার্ক ব্যবস্থাপকের মরদেহ উত্তোলন

জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল
প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

শেয়ার করুন:

দাফনের ৭ মাস পর পার্ক ব্যবস্থাপকের মরদেহ উত্তোলন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় দাফনের সাত মাস পর কবর থেকে উপজেলার নিরিবিলি পিকনিক স্পটের কাউন্টার ব্যবস্থাপক মুকুল মোল্যা নামে এক ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার লক্ষ্মীপাশা কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে তার মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। মুকুল লক্ষীপাশা গ্রামের মৃত রুহুল আমীন মোল্যার ছেলে।


বিজ্ঞাপন


নড়াইল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মেহেদী হাসান মরদেহ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের (২৭ আগস্ট) বিকেলে পিকনিক স্পটে আসেন একই উপজেলার রাজোপুর এলাকার ভাড়াটিয়া আবু সাঈদ, আরিনা জান্নাতুল ও সাহানুর বেগমসহ কয়েকজন। এ সময় রাত্রিযাপনের জন্য কক্ষ ভাড়া নেওয়া নিয়ে তাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয় ব্যবস্থাপক মুকুলের। একপর্যায়ে তারা সবাই মিলে মুকুলকে মারধর করেন। এ সময় মুকুলকে অসুস্থ অবস্থায় লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে মুকুলকে মারধরের বিষয়টি পরিবার তখনও জানতো না। এ কারণে মুকুলের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে পরদিন (২৮ আগস্ট) দাফন করে তার পরিবার।

আরও পড়ুন

লিবিয়ার বন্দিশালায় আরও একজনের মৃত্যু, এ নিয়ে মারা গেল মাদারীপুরের ৩ জন

জানা যায়, দাফনের দুদিন পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পার্ক ব্যবস্থাপক মুকুলকে মারধরের সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি নিহতের পরিবারের নজরে এলে তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়। ওই বছরের ২ নভেম্বর লোহাগড়া আমলি আদালতে নিহতের বড় বোন রেহানা পারভীন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তের স্বার্থে আদালত সংস্থাটিকে মুকুলের মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য অনুমতি দেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


বিজ্ঞাপন


প্রতিনিধি/এসএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর