নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় নিখোঁজের একদিন পর সৈকত (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে শিশুটির নিজ বাসার পাশের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞাপন
নিহত সৈকতের বাবা রঞ্জু মিয়া জানান, গত রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে দোকান থেকে চকলেট কেনার কথা বলে বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয় সৈকত। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত জমিতে স্থানীয়রা মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সৈকতকে মাদরাসায় ভর্তির প্রস্তুতি চলছিল। রঞ্জু মিয়া পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি এবং শিশুটির মা একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তারা উত্তর নরসিংহপুর এলাকার ইবলাম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তাদের স্থায়ী নিবাস গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বড় গোবিন্দপুর গ্রামে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) হাসিনুজ্জামান বলেন, ‘শিশুটির মাথা থ্যাতলানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার আগে তাকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
তিনি আরও জানান, পুলিশ ইতোমধ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছে। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/একেবি

