সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

যুবককে পিটিয়ে হত্যা: ১ মাসেও নেই গ্রেফতার, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম

শেয়ার করুন:

যুবককে পিটিয়ে হত্যা: ১ মাসেও নেই গ্রেফতার, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের কাশিনাথপুর ও রশিদপুর গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহ আলম (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেফতার না হওয়ায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

পরিবারের অভিযোগ, ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় প্রকাশ্যে শাহ আলমকে পিটিয়ে হত্যা করা হলেও ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। মামলায় নামধারী আসামিদের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা একাধিক ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি পরিবারের।


বিজ্ঞাপন


ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও রশিদপুর গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানান, ঘটনার পর কয়েকদিন আত্মগোপনে থাকলেও বর্তমানে আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের বিভিন্ন স্থানে দেখা গেলেও পুলিশকে জানানো সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

হত্যা মামলার এজাহারে উল্লিখিত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- আলাউদ্দিন মোল্লা, আইয়ুব আলী, জুয়েল রানা, মারুফ হাসান, মোমিন, ফাহিম, ইউসুফ আলী ও রুহুল আমিনসহ আরও কয়েকজন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও বেশকিছু ব্যক্তি এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। অজ্ঞাতনামা এবং উল্লিখিত কিছু কিছু আসামিকে প্রকাশ্যে দেখা গেলেও পুলিশ তাদের ধরছে না বলে বাদী পক্ষের অভিযোগ।

আরও পড়ুন

তনু হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ

বাদী অভিযোগ করে বলেন, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মামলাটি গুরুত্বহীন করার চেষ্টা করছে এবং আপসেরও জন্য নানান প্রলোভন দেখাচ্ছে। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে সব আসামিকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


বিজ্ঞাপন


এদিকে মামলার এক মাস পেরিয়ে গেলেও প্রধান আসামি ওয়াকিল আহমেদ (আলাউদ্দিন), আইয়ুব আলী, জুয়েল, নজরুল, ফাহিম, রুহুল আমিনসহ গ্রামের অন্যান্য আসামিরা এখনো গ্রেফতার হয়নি বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার না করা হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, আমি মাত্র দুই দিন হলো এ থানায় যোগদান করেছি। এখনো এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা হয়নি। তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এসএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর