ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের বড়হরণ গ্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া মর্টারশেলটি নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশের বোম ডিস্পোজাল ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বড় হরণ গ্রামের নোয়াগাঁও কবর স্থানের পার্শ্ববর্তী পুকুর পাড়ে এটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এর আগে, গত রোববার বড় হরণ গ্রামের ভাষা সৈনিক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বাড়িতে পুকুর খননের কাজ করার সময় মর্টাশেলটি উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকে গত চারদিন ধরে মর্টারশেলটি পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনিতে ছিল।
উদ্ধার অভিযান শেষে পুলিশের বোম ডিস্পোজাল ইউনিটের পরিদর্শক মো. মোদাচ্ছের কায়সার জানান, পুলিশ হেডকোয়াটারের মাধ্যমে খবর পেয়ে চার সদ্যস্যর একটি দল মর্টারশেলটি সতর্কতার সাথে নিষ্ক্রিয় করে। ধারনা করা হচ্ছে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এটি ছোঁড়া হয়েছিল। তা কোন কারনে অবিস্ফোরিত থেকে যায়। সব ধরনের নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে মর্টারশেলটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। এখন কোন ধরনের ঝুঁকি নেই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, মর্টারশেলটি পাওয়ার পর থেকে পুলিশ এটিকে নিরাপত্তা বেষ্টনিতে রেখেছিলো। পুলিশের বোম ডিস্পোজাল ইউনিট এসে এটিকে নিষ্ক্রিয় করে।
উল্লেখ, বড় হরণ গ্রামে ভাষাসৈনিক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বাড়িতে পুকুর খননের কাজ চলছে। গত রোববার দুপুরে শ্রমিকরা কোদাল দিয়ে মাটি কাটার সময় হঠাৎ করেই মর্টারশেলটি দেখতে পান। পরে বিষয়টি দ্রুত স্থানীয়দের মাধ্যমে পুলিশকে জানানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই মর্টারশেলটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/ এজে

