চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ১৭ জেলেকে ৪ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ হক।
বিজ্ঞাপন
দুপুরে এসব তথ্য জানান, অভিযানে অংশগ্রহণকারী চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
অর্থদণ্ড প্রাপ্ত জেলেরা হলেন- শেখ ফরিদ (৩০), মো. মাইনুদ্দিন (২০), বিল্লাল হোসেন (২৮), মো. বশির (২৩), রাসেল সরকার (৩২), ইউসুফ আলী (২০), শরিফুল ইসলাম (১৮), ফারুক আলম (২৮), জাহিদ হাসান (২৫), আব্বাস আলী (৩২), মো. ইসলাম (৩২), মো. ইব্রাহীম (৩৮), মো. শামীম (২০), মো. রফিক (২০), ইয়াছিন মাল (২০) মনির হোসেন (৩২) ও মো. দ্বীন ইসলাম (২৪)। এদের বাড়ি চাঁদপুর সদর, মতলব উত্তর ও লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায়।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, সোমবার বিকেল ৫টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৩টা পর্যন্ত সদর উপজেলার আখনেরহাট, চেয়ারম্যান স্টেশন, হরিনা ঘাট বহরিয়া, মিনি কক্সবাজার, পৌর এলাকার টিলাবাড়ি, সদরের আনন্দবাজার, লালপুর ও গাজীপুর টেক এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় জাটকা ধরা অবস্থায় হাতেনাতে ১৭ জেলেকে আটক করা হয়।
বিজ্ঞাপন

আটক জেলেদের সঙ্গে থাকা ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়। জব্দ জাটকা এতিমখানায় বিতরণ এবং কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
জাটকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনা নদীর প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকা অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহন নিষিদ্ধ।
প্রতিনিধি/এসএস

