নাটোরে ১৩ জন শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ইতোমধ্যে সাতজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৬ জন শিশু চিকিৎসাধীন থাকলেও তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে নাটোরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন শিশুরা হলো মারিয়া খাতুন, ফাহমিদা খাতুন, মিতা, আরহাম, হুমায়ুন এবং মোহাম্মদ আলী।
নাটোর সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মার্চ মাসের প্রথম দিকে সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৮ জন রোগী ভর্তি হন। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ১৩ জন শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্যে সাতজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও বর্তমানে ৬ জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হাসপাতালে আসা সালমা খাতুন নামে এক মা জানান, গত দুই দিন ধরে তার শিশুর জ্বর ও সর্দি। ওষুধ খাওয়ানোর পরও জ্বর কমছে না, এমনকি শিশুটি কিছু খাচ্ছেও না। তাই আজ সকালে তাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন।
সুফিয়া বেগম নামে এক রোগীর স্বজন জানান, গত রাত থেকে তার তিন বছর বয়সী নাতনি হঠাৎ জ্বর ও সর্দিতে আক্রান্ত হয়। নাপা সিরাপ খাইয়েও কোনো কাজ না হওয়ায় সকালে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। চারিদিকে হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় নাতনিকে নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত।
বিজ্ঞাপন
নাটোরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়ছে, তাই চিকিৎসকরা সতর্ক রয়েছেন। নাটোরে ৩৮ জন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এলেও ১৩ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬ জন শিশু শঙ্কামুক্ত এবং আশা করা যাচ্ছে তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে।
প্রতিনিধি/একেবি

