কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে তাইজুল ইসলাম তাজেম (৩৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বুজরুক বাঁখই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশ পথের সামনের লিচু বাগান থেকে নিহতের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
তাইজুল ইসলাম তাজেম ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।
স্বজনদের ভাষ্য, পূর্বশত্রুতার জেরে তাজেমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত তাজেমের চাচাতো ভাই বিপুল হোসেন বলেন, খবর শুনে রাত ১০টার দিকে এসে দেখি তাজেমের রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। পরে আমরা পুলিশকে খবর দেই।
তাজেমের বাবা আবুল কাশেম আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘আমার ছোঁয়াল পাগল। ওরা মেলা আগেই মেরে পাগল করে দিছে। বাড়ি বসে শুনলাম, ছোঁয়ালরেদ কোপায়ে হত্যা করেছে। কিডা আমার বিচার করে দিবিনি। আমার কি টাকা পয়সা আছে।’
বিজ্ঞাপন
মা সাহিদা খাতুন বলেন, তিন-চার বছর আগে ছেলের স্ত্রী শান্তার সঙ্গে পাশের বাড়ির মোক্তারের ছেলে মিরাজের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে অনেক ঝামেলা মারামারির পর বউকে ডিভোর্স দিয়েছিল। এসব নিয়ে মিরাজরা মারধর করলে ছেলে (তাজেম) পাগল হয়া যায়। মেলাদিন হলো পাগলের চিকিৎসা চলছে। আপনারা কাগজ দেখেন।
তার ভাষ্য, মিরাজরাই পূর্বশত্রুতার জেরে তাজেমকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ দিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মিরাজরা সপরিবারে পলাতক রয়েছে। সেজন্য তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে সড়কের ধার থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপানোর চিহ্ন আছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিত হত্যা। তদন্ত শেষে পরে বিস্তারিত বলা যাবে।
প্রতিনিধি/টিবি

