মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

বারহাট্টায় কুপিয়ে জখম ব্যক্তির ৫ দিন পর মৃত্যু, মামলার প্রস্তুতি

জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০২৬, ০১:০৪ পিএম

শেয়ার করুন:

বারহাট্টায় কুপিয়ে জখম ব্যক্তির ৫ দিন পর মৃত্যু, মামলার প্রস্তুতি

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় জমি বিরোধে সংঘর্ষে আহত শাহীন মিয়া (৫৫) পাঁচদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।


বিজ্ঞাপন


এর আগে গত বুধবার বিকালে উপজেলার বাউসী গ্রামে এ প্রতিপক্ষের রামদার কোপে তিনি গুরুতর আহত হন।

সোমবার সন্ধ্যায় বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাউসী গ্রামের জিয়া মিয়ার পরিবার ও শাহীন মিয়ার পরিবারের লোকজনের মধ্যে জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধ রয়েছে। গত বুধবার বিকেলে বাউসী বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন শাহীন মিয়া ও তার ছোট ভাই মাসুদ মিয়াসহ কয়েকজন। এদিকে পথে আগে থেকেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওত পেতে থাকা জিয়া, তার ভাই ফরুক ও কাউছার মিয়াসহ অন্যান্যরা শাহীন ও মাসুদের ওপর হামলা চালায়। এতে রামদা দিয়ে কুপিয়ে শাহীন ও মাসুদকে গুরুতর জখম করে। এসময় তাদের বাঁচাতে এলে শাহীন মিয়ার পক্ষের আরও দুইজন আহত হন। তবে এ ঘটনায় অপর পক্ষের জিয়া ও কাউছারসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। তারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন

নেত্রকোনায় বাড়ির সীমানা নিয়ে সংঘর্ষে কৃষক নিহত

তাদের মধ্যে গুরুতর আহত শাহীন মিয়া ও তার ভাই মাসুদ মিয়াকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে অবস্থার অবনতি হলে শাহীন মিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আরও অবনতি হলে পরদিন তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীন মিয়ার মৃত্যু হয়।

এদিকে ঘটনার পরদিন গত বৃহস্পতিবার আহত শাহীন মিয়ার চাচাতো ভাই মো. শ্যামল মিয়া বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের জিয়া মিয়া (৪৮) তার ভাই ফারুক মিয়া (৪৪), ও কাউছার মিয়াসহ (৩৮) সাত জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।

বারহাট্টা থানার ওসি নাজমুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় আগের দেওয়া অভিযোগটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। এদিকে লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আসামিদের মধ্যে জিয়া ও কাউছার আহত অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছেন। সেখানে পুলিশ তাদের নজদারিতে রাখছে। সুস্থ হলেই তাদের গ্রেফতার করা হবে। এছাড়া বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

প্রতিনিধি/এসএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর