সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, কবিরহাট ও সদর উপজেলার পাঁচ গ্রামের কাদেরিয়া তারিকার অনুসারী দুই শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আগামীকাল ঈদ উদযাপন করবেন। প্রায় শত বছর থেকে চলে আসা সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে এ বছরও এসব গ্রামের মানুষ একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন বলে জানিয়েছেন।
আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) তিন উপজেলার ১০ টি মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন তারা।
বিজ্ঞাপন
গ্রামগুলো হলো- নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর ও হরিণারায়নপুর গ্রাম, কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের রামভল্লবপুর, বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ ও ফাজিলপুর গ্রাম। এসব গ্রামে আগামীকাল সকাল আটটায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
তাদের দাবি, বড় পীর আবদুল কাদির জিলানী (রঃ) এর মতাদর্শে তৈরি হয় কাদেরিয়া তরিকা। কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছর একদিন আগে রোজা রাখেন। এছাড়াও ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন।
বেগমগঞ্জের গোপালপুর ইউনিয়নের কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী মো. সিরাজ মিয়া জানান, আমাদের পূর্বপুরুষদের দেখানো পথ অনুযায়ী আমরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখেই রোজা শুরু করি এবং ঈদ উদযাপন করি। এ বছরও আমরা তার ব্যতিক্রম করবো না।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার টি. এম. মোশাররফ হোসেন জানান, সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিলিয়ে নোয়াখালীর তিন উপজেলার পাঁচটি গ্রামে দুই শতাধিক মুসল্লী আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। তাদের ঈদ উদযাপন যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/এজে

