সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

যশোর-২: ভরাডুবির পর সাবিরা সুলতানার বিরুদ্ধে বিষোদগারের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, যশোর 
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম

শেয়ার করুন:

যশোর-২: ভরাডুবির পর সাবিরা সুলতানার বিরুদ্ধে বিষোদগারের অভিযোগ

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ উঠেছে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা সুলতানা মুন্নীর বিরুদ্ধে। তিনি অব্যাহতভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বিষোদগার করে চলেছেন এবং গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় নেতারা। 

রোববার (১৫ মার্চ) ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতারা এসব কথা বলেন।


বিজ্ঞাপন


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান সামাদ নিপুণ বলেন, সাবিরা সুলতানা মুন্নী প্রার্থী হওয়ার পর থেকে তার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তৃণমূলের কর্মীরা হতাশ ছিলেন। তিনি দলীয় আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হন এবং দলের প্রবীণ নেতা মর্তোজা এলাহী টিপুসহ ত্যাগী নেতাদের সন্দেহের চোখে দেখতেন।

ইমরান সামাদ আরও বলেন, নির্বাচনী মাঠে ঐক্য বজায় রাখার চেষ্টা হলেও সাবিরা সুলতানা মূলধারার নেতাকর্মীদের এড়িয়ে নিজস্ব বলয়ের লোকজনকে নিয়ে প্রচার চালান। তিনি দলীয় পদপদবিতে নিজের পরিবারের বিতর্কিত ও অযোগ্যদের স্থান দিয়েছেন এবং অনেক প্রবীণ নেতাকে বঞ্চিত করেছেন। এছাড়া ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বহিষ্কারের হুমকি দিয়ে তিনি সাংগঠনিক পরিবেশ নষ্ট করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে সাবিরা সুলতানার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তোলা হয় যে, তিনি আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়েছেন এবং তার স্বামী নাজমুল ইসলাম হত্যার পুনঃতদন্তের বিষয়ে রহস্যজনক নীরবতা পালন করেছেন। নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই তিনি এখন জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মর্তোজা এলাহী টিপু, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসানসহ ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।


বিজ্ঞাপন


অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবিরা সুলতানা মুন্নী বলেন, ‘এরা একটি সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক চক্র, যারা সবসময় দলের বিপক্ষে কাজ করে। ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের তারা পৃষ্ঠপোষকতা করছে। আমি নির্বাচিত হলে তাদের অনৈতিক কাজে বিঘ্ন ঘটবে বলেই তারা আমার বিরোধিতা করছেন। শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না; নিজেদের অপকর্ম ঢাকতেই তারা এখন একত্রিত হয়েছেন।’

প্রতিনিধি/একেবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর