শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গ্রেফতার, হামলায় ৭ র‌্যাব সদস্য আহত

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১২ মার্চ ২০২৬, ০২:০৩ এএম

শেয়ার করুন:

S
ছবির বামে গ্রেফতার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফরিদুল আলম। ডানে র‌্যাব সদস্যদের পুড়িয়ে দেওয়া একটি মোটরসাইকেল

টেকনাফে একাধিক মামলার পলাতক আসামি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফরিদুল আলমকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫। এসময় আসামির সহযোগীদের হামলায় সাতজন র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন এবং তাদের দুটি মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।  

বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া মাঠে একটি ইফতার মাহফিল থেকে ফরিদুলকে গ্রেফতারের সময় এ ঘটনা ঘটে।


বিজ্ঞাপন


গ্রেফতার ফরিদুল আলম টেকনাফ সদর নাজির পাড়া এলাকার ছিদ্দিক আহম্মদের ছেলে। তিনি টেকনাফ সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যায় সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়ার ফুটবল মাঠ থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফরিদুল আলমকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। এসময় র‌্যাবের উপর হামলা হয়েছে। পুলিশ ও কোস্টগার্ড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কক্সবাজারের র‌্যাব-১৫ ব্যাটালিয়ান সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলার পলাতক আসামি ফরিদুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তার সহযোগীরা র‌্যাবের দুটি মোটরসাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ফরিদুলকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

হামলায় আহত র‌্যাব সদস্যদের একজন র‌্যাব-১৫ টেকনাফ সিপিসি-১ এর স্কোয়াড কমান্ডার সোহেল রানা। 


বিজ্ঞাপন


তিনি জানান, নাজিরপাড়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে র‍্যাবের একটি সুনির্দিষ্ট অভিযান চালানো হয়। এসময় মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীরা আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে আমিসহ সাতজন সদস্য আহত হয়েছি। 

আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান র‌্যাব কর্মকর্তা সোহেল রানা।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দেবাশীষ জানান, রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ আহত সাতজন র‍্যাব সদস্যকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- মোহাম্মদ ইলিয়াছ (৫০), সাইফুল ইসলাম (৪২), খালিদ হোসেন (৩১), বেলাল হোসেন (৩০), সোহেল মিয়া (৩৫), মোহাম্মদ সোহেল (৩১), মোহাম্মদ কামরুল (৩৪)। 

চিকিৎসক দেবাশীষ আরও জানান, আহতদের মধ্যে সোহেল মিয়া ও মোহাম্মদ সোহেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এএইচ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর