উৎসবমুখর পরিবেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রংপুরের প্রত্যন্ত এলাকার নারী ফুটবলারদের নিয়ে ওমেন্স ফুটবল ডে এর আয়োজন করে এএফসি ও ফুটবল ফেডারেশন। এছাড়াও নারী ফুটবলারদের নিয়ে বয়সভিত্তিক ফান গেমের আয়োজন করে সদ্যপুস্কুরনী যুব স্পোর্টিং ক্লাব।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলার সদ্যপুস্কুরনী মিনি স্টেডিয়ামে ওমেন্স ফুটবল ডে এর আয়োজন করা হয়। আয়োজনের শুরুতেই বয়সভিত্তিক খেলার উদ্বোধন করেন জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও হেড অফ ডেলিগেশন মঞ্জুর আহমেদ আজাদ।
বিজ্ঞাপন
উদ্বোধী বক্তব্যে তিনি বলেন, রংপুরে মহিলা ফুটবলের আতুর ঘর হলো সদ্যপুস্কুরনী। সেখানে এরকম আয়োজন আমাদের রংপুরকে গর্বিত করেছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মহিলা ফুটবল আরো এগিয়ে যাবে। কেননা আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা। সেই লক্ষ্য নিয়েই ক্লাব ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।”
সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাবের সিও জহির আলম নয়ন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবকে ঘিরে কাজ করে যাচ্ছি। এবারের লিগে আমাদের মেয়েরা ভালো পারফরম্যান্স করেছে। আগামী মৌসুমে আরও আধুনিক ও দক্ষ খেলোয়াড় নিয়ে দল গঠনের চেষ্টা থাকবে।

বিজ্ঞাপন
সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মিলন মিয়া বলেন, নারী ফুটবলের উন্নয়নে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে মহিলা কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ তৃণমূল পর্যায়ের মেয়েদের নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের আয়োজনটি নারী ফুটবলারদের জন্য একটি প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
ক্লাবের উপদেষ্টা হারুন উর রশিদ বলেন, আমরা মেয়েদের পাশে আছি এবং ক্লাবকে আরও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে ভবিষ্যতে শক্তিশালী খেলোয়াড়ের একটি সমৃদ্ধ পাইপলাইন তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানে মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাব সিও মুহাম্মদ জহির আলম নয়ন, রংপুর মহানগর যুবদল সদস্য মামুন পারভেজ, সদ্যপুস্করিণী যুব স্পোর্টিং ক্লাব উপদেষ্টা হারুন উর রশিদ, সদ্যপুস্করিণী যুব স্পোর্টিং ক্লাব ম্যানেজার মিলন মিয়া, হেড কোচ শামীম খান মিসকিন, মিডিয়া অফিসার সানি, সহকারী কোচ রানু উপস্থিত ছিলেন।
সবশেষে ক্লাবের বিভিন্ন বয়সের নারী ফুটবলারদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন অতিথিরা।
উল্লেখ্য, রংপুরের পালিচড়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রায় ১৩০ জন নারী খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেন। নারী ফুটবলের প্রসার এবং তৃণমূল পর্যায়ে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন।
প্রতিনিধি/এসএস

