ঝালকাঠি–১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের নির্বাচনকে ঘিরে নানা অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক।
শনিবার (৭ মার্চ) রাতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি নির্বাচনে অনিয়ম, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের অভিযোগ তোলেন।
বিজ্ঞাপন
পোস্টে ড. ফয়জুল হক দাবি করেন, বরিশাল বিভাগের ২১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ঝালকাঠি–১ আসনেই দাঁড়িপাল্লা প্রতীক সবচেয়ে কম ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। তিনি জানান, তফসিল ঘোষণার মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর আগে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এলাকায় গণসংযোগ চালিয়েছেন এবং জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের সহযোগিতা পেয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঝালকাঠি–১ আসনটি আকারে ছোট হলেও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে এ আসন থেকে সাবেক মন্ত্রী বীর উত্তম ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং শিল্পপতি বজলুল হক হারুন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুও এ আসনে নির্বাচন করেছেন।
ড. ফয়জুল হক তাঁর পোস্টে বলেন, ১৯৯৬ সালের পর এই আসনে জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন নির্বাচন করেনি। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন মহল তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি আসনটিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হন বলে দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে দখল, জাল ভোট প্রদান এবং তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা বিপুল অর্থ ব্যয় করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
বিজ্ঞাপন
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সন্ধ্যার দিকে তাঁরা বিজয় মিছিল করলেও রাত ১১টার পর ফলাফল পরিবর্তন হয়ে যায়।

