রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়কে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর কুমারপাড়ায় কার্যালয়টির সামনে ব্যানার টাঙিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এই ঘোষণা দেন।
বিজ্ঞাপন
এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাফফাত আহমেদ তিতাস, যুগ্ম সদস্য সচিব ইমন রাজ এবং কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক মাহতাব তানভীরসহ অন্যন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্র নেতারা জানান, সম্প্রতি এই কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগের একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছিল, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়। তবে পুনরায় ব্যানার টাঙানোর এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই প্রতিবাদে স্থানটিকে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ ঘোষণা করা হলো। নেতারা জানান, পরিত্যক্ত এই স্থানে স্থায়ীভাবে গণশৌচাগার নির্মাণের দাবিতে তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করবেন। তাদের দাবি, দীর্ঘ সময় পড়ে থাকা এই জায়গাটি জনস্বার্থে ব্যবহার করা হোক।
উদ্বোধনকালে আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু তার বক্তব্যে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন ‘২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ দেশ থেকে ফ্যাসিস্ট সরকারকে উৎখাত করা হয়েছে। রাজশাহীতে আমাদের ভাই আলী রায়হান ও সাকিব আনজুমকে নৃশংসভাবে শহীদ করা হয়েছে। এখনো আমাদের এক ভাইয়ের মেরুদণ্ডে গুলি রয়ে গেছে, যা বের করা সম্ভব হচ্ছে না। এত দুঃশাসনের পরও আওয়ামী লীগ এই কার্যালয় পুনরায় চালুর দুঃসাহস দেখাচ্ছে। তাই আমরা সন্ত্রাসীদের এই আঁতুড়ঘরকে জনস্বার্থে 'মুজিব পাবলিক টয়লেট' হিসেবে ঘোষণা করলাম।’
বক্তব্যে গণভোটের রায় নিয়ে চলমান জটিলতার সমালোচনা করে সাজু আরও বলেন, ‘জনগণের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করলে এ দেশের মানুষ আবারও রাজপথে নেমে আসবে। দাবি আদায়ের প্রয়োজনে রাজপথে নামলে জনগণ হাইকোর্ট কিংবা সংসদ সদস্য কাউকেই তোয়াক্কা করবে না।’
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/একেবি

