টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, রোগীর ভোগান্তি ও হয়রানির বিরুদ্ধে কথা বলায় টাঙ্গাইল জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক নারী নেত্রী ফাতেমা রহমান বীথিকে অবরুদ্ধ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে বিষয়টি নিয়ে সমাধান করা হয়। এ ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে স্ট্রোকের এক রোগীর খোঁজ খবর নিতে হাসপাতালে যান ফাতেমা রহমান বীথি। এক পর্যায়ে অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলায় হাসপাতালের ইন্টার্নি চিকিৎসকদের বাগ্বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। পরে বীথিকে হাসপাতালের ভেতরে অবরুদ্ধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় ফাতেমা রহমান বীথি বলেন, তিনি এক ব্রেন স্ট্রোক করা রোগীর খোঁজখবর জানতে এক চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। এ সময় এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তাকে। এক পর্যায়ে তিনি উচ্চৈঃস্বরে কথা বলতে থাকেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ডেকে ভিডিও করতে বলেন। এক পর্যায়ে তারা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। দিপু নামের এক ইন্টার্ন চিকিৎসক তার গায়ে হাতও তুলেছেন।
ভুক্তভোগী আরও বলেন, তিনি টাঙ্গাইলের একজন সচেতন নাগরিক। যেখানে জনগণের টাকায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন হয়। সেখানে অব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই অবরুদ্ধ হতে হয়, লাঞ্ছিত হতে হয়। তিনি এমন আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে বাগ্বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়েছিল। প্রশাসনের সহযোগিতায় বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। কোনো পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসক গায়ে হাত দিলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞাপন
ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন:
প্রতিনিধি/ এজে

