ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, শুধু নদী নয়, খাল খননও আমাদের নির্বাচনি ইশতাহারের কর্মসূচিতে রয়েছে। আমাদের এই অঞ্চলে আগে অনেকগুলো খাল ছিল, যার অনেকগুলোই এখন বেদখল হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও হয়ত অন্য মন্ত্রণালয় জমি বরাদ্দ নিয়ে নিয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের নির্বাচনি এলাকা নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভা কার্যালয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
কায়সার কামাল বলেন, আমরা সবকিছুই খতিয়ে দেখব। প্রাথমিকভাবে দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন থেকে দুটি খাল খননের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যার কাজ অচিরেই শুরু হবে। আমরা নদীর পাশাপাশি খাল খননেও জোর দিচ্ছি। কারণ এটি শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়; বরং আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষকদের সেচের বিকল্প মাধ্যম হতে পারে এই নদী ও খাল।
তিনি বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ে অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সেবাগ্রহীতারা এ সম্পর্কে অনেক কিছুই জানেন না। একটি কল সেন্টার রয়েছে যা দিনে ২৪ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিনই খোলা থাকে। কিন্তু এই কল সেন্টারের প্রচার-প্রচারণা জনগণের কাছে পৌঁছানো হয়নি। আমি শপথ নেওয়ার পর এটি জানতে পেরেছি। এমন অনেক জনহিতকর কাজ করা হলেও সেগুলোর প্রয়োজনীয় প্রচার হয়নি। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাথে নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পূর্বের গৌরব পুনরুদ্ধার এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
দুপুরে দুর্গাপুর পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন এবং পরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এর আগে সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে 'গার্ড অব অনার' প্রদান করা হয়। এ সময় তিনি বৃক্ষরোপণ ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথেও মতবিনিময় করেন।
প্রতিনিধি/এজে

