শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

কক্সবাজারে এলপিজি স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার
প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

শেয়ার করুন:

কক্সবাজারে এলপিজি স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় নবনির্মিত একটি এলপিজি গ্যাস স্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও আহতদের খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল।


বিজ্ঞাপন


পোস্টে তিনি লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ। তিনি সরাসরি আমাকে ফোন করে এন আলম গ্যাস স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও আহতদের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। বাংলাদেশের মানবিক প্রধানমন্ত্রী।

অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ১০ জন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে— ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, ২ জনকে পাঠানো হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে, ৪ জন চিকিৎসাধীন হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে এবং ২ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

7d7673b3-b261-4058-9fa6-8ec180d37f0c

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধদের শরীরের ২৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কলাতলীর ‘এন আলম’ নামের নবনির্মিত এলপিজি স্টেশনে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়দের দাবি, উদ্বোধনের পর থেকেই পাইপলাইনে লিকেজ ছিল এবং সেখান থেকে গ্যাস বের হচ্ছিল। পাম্প কর্তৃপক্ষ মেরামতের চেষ্টা করলেও লিকেজ বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে আগুন লেগে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের গ্যারেজ ও কয়েকটি বসতঘরে।

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণ-ভয়াবহ আগুন, দগ্ধ ১০ 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট। তাদের সঙ্গে যোগ দেন সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। প্রায় ৫ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডে গ্যাস পাম্পের স্থাপনা সম্পূর্ণ পুড়ে যায়, পাশের গ্যারেজে থাকা অন্তত ২০টি যানবাহন ভস্মীভূত হয়, পাশের কয়েকটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ff15183d-0d70-433a-b6b1-5655b5b1e51e

ফায়ার সার্ভিস প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, গ্যাস লিকেজ থেকেই বিস্ফোরণ ও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে, গুরুতর আহতদের চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে, নিরাপত্তা মানদণ্ড না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিনিধি/এসএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর