বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

পঞ্চগড়ে বন্ধ চা কারখানা খুলে দিতে চা চাষীদের স্মারকলিপি প্রদান

জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়
প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম

শেয়ার করুন:

পঞ্চগড়ে বন্ধ চা কারখানা খুলে দিতে চা চাষীদের স্মারকলিপি প্রদান

পঞ্চগড়ে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা উত্তরা গ্রিন টি নামে একটি চা কারখানা চালু করার দাবিতে মানববন্ধন পালন করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে পঞ্চগড় জেলার ক্ষুদ্র চা চাষি ও শ্রমিকবৃন্দ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।


বিজ্ঞাপন


এসময় চা চাষীরা অভিযোগ করে বলেন, পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কেচারা পাড়া এলাকায় ২০২০ সালের শুরুতে উৎপাদন শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে কারখানা চাষীদের কাছে ন্যায্যমূল্য চা পাতা কিনছে। তবে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের দিকে নিবন্ধন না থাকার কারণে বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ চা বোর্ড। এতে কারখানাতে চা পাতা দেওয়া সহস্রাধিক চা চাষী বিপাকে পড়েছেন। গত চা মৌসুমে সমতলের চা জাতীয় উৎপাদনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। কারখানাটি এবার বন্ধ থাকলে জাতীয় উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে এবং চা চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। চা কারখানা বন্ধ থাকলে সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় হয়ে চাষীদের দামে কর্তন, ওজনে কর্তন করে পূর্বের মতো নানা সমস্যার সৃষ্টি করবে।

বক্তারা আরও বলেন, যদি কারখানার সাথে চা বোর্ডের অফিশিয়াল কাগজপত্রের বিষয় থেকে থাকে তাহলে তারা সেভাবে সমাধান করবে। আগামী ১লা মার্চ থেকে নতুন মৌসুমে কারখানা যেন চা পাতা কেনা শুরু করতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চা বোর্ডের প্রতি আবেদন।

পরে বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন চা চাষীরা। স্মারকলিপি গ্রহণ করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছানোর কথা জানান, চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ফার্ম সুপারভাইজার মেহেদী হাসান। 

এসময় চা চাষি রফিকুল ইসলাম, সোহেল রানা, রফিকুল ইসলাম আর্মি, পঞ্চগড় চা বাগান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মানিক খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।  


বিজ্ঞাপন


বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, কারখানাটি নিবন্ধন না করা সহ কাগজপত্রের নানা জটিলতায় মাড়াই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এটি বন্ধ না রেখে চা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জরিমানা করে চালু করে দিতে পারে। সামনে শুনানি হবে এ বিষয়ে তখন বিস্তারিত জানা যাবে।

প্রতিনিধি/ এজে

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর