বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

নড়াইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহতের ঘটনায় আটক ৬

জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল
প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম

শেয়ার করুন:

নড়াইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহতের ঘটনায় আটক ৬

নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে বাবা-ছেলেসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় ছয়জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হত্যার ঘটনায় এখনও মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।


বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. রকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- তারাপুর গ্রামের আমিন শিকদারের ছেলে বনি শিকদার (৩৩), বড়কুলা গ্রামের মৃত লালন ফকিরের ছেলে হালিম ফকির (৬০), কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের তুজাম মোল্যার ছেলে তুফান মোল্যা (৩০), সদরের তারাপুর গ্রামের রুহুল মোল্যার ছেলে সদয় মোল্যা (৩৬), তৈয়ব শিকদারের ছেলে লাজুক ওরফে সূর্য শিকদার (৩২), সবুর মোল্যার ছেলে জসিম মোল্যা (৩০)।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বনি শিকদারকে, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ হালিম ফকিরকে ও সদর থানা পুলিশ তুফান মোল্যা, সদয় মোল্যা, লাজুক ওরফে সূর্য শিকদার, জসিম মোল্যাকে পৃথক অভিযানে আটক করে। আটক ৬ জনকে নড়াইল সদর থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ভাতিজা ফেরদৌস শেখের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরদিকে সাবেক চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জামান খায়ের গ্রুপের সদস্য ওসিবুর মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


বিজ্ঞাপন


নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. রকিবুল হাসান বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এতে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য: সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক দুই চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যা ও উজ্জ্বল শেখের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই উজ্জ্বল শেখ গ্রুপের রহমান খলিল, তার পুত্র তাহাজ্জুদ হোসেন ও পক্ষীয় ফেরদৌস হোসেন মারা যান। গুরুতর আহত অন্য পক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

প্রতিনিধি/ এজে

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর