পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের জেনারেল অ্যানিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ শাহবুবুল আলম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. আলী আজগরের মধ্যে ‘কম্বাইন্ড ডিগ্রি’ ইস্যুকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের এএনএসভিএম অনুষদের একাডেমিক ভবন-২-এর সামনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সামনে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। জানা যায়, কম্বাইন্ড ডিগ্রি সংক্রান্ত আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি (এএইচ) ডিসিপ্লিনের শিক্ষকরা অনুষদের লেভেল-৪ সেমিস্টার-১ ও লেভেল-১ সেমিস্টার-২-এর ক্লাস-পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ডিন ভবন ঘেরাও করে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে ডিন বরাবর লিখিত আবেদন জানান।
বিজ্ঞাপন
এরপর উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ভবন-২-এর সামনে কেন্দ্রীয় মাঠে অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে এএইচ ডিসিপ্লিনের শিক্ষকরা সেখানে জড়ো হন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ও ডিনকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খোন্দকার জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. আলী আজগর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় উপস্থিত সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সামনেই জেনারেল অ্যানিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ শাহবুবুল আলম এবং সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. আলী আজগরের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
এ বিষয়ে প্রফেসর মোহাম্মদ শাহবুবুল আলম বলেন, ‘শিক্ষকদের ভেতরে আটকে রেখে কয়েকজন ছাত্র একাডেমিক ভবনে তালা দিতে আসে। আমি সহকারী প্রক্টরকে ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ডিন স্যারসহ তারা ঘটনাস্থলে আসলে সহকারী প্রক্টরের সাথে আমার বাকবিতণ্ডা হয়। তবে আমরা বিষয়টি পরবর্তীতে সমাধান করে নিয়েছি।’
সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. আলী আজগর জানান, ‘ডিন অফিসে আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলছিলাম। সেখান থেকে কিছু শিক্ষার্থী একাডেমিক ভবনের দিকে যায় এবং তালা দেওয়ার কথা বললে অধ্যাপক শাহবুবুল আমাকে ফোন দেন। আমি ব্যস্ত থাকায় কল ধরতে পারিনি। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে আসার পর তিনি আমার সাথে উচ্চবাচ্য করলে আমিও কিছুটা উত্তেজিত হই। তবে পরে তিনি প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছিল। আমি খোঁজ নিয়েছি, তারা পরবর্তীতে বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করে নিয়েছেন।’
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/একেবি

